ইউনিজয় English

দুর্নীতি মামলায় সস্ত্রীক কারাগারে শেখ হেলাল : হাসপাতালে স্থানান্তর

10-05-101.jpg
Jugantor_logo
যুগান্তর রিপোর্ট
দুর্নীতির দায়ে বিশেষ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল এবং তার স্ত্রী রূপা চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার আদালতে আ্তসমর্পণের পর কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য তাদের রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসার জন্য রাত সোয়া ৮টার দিকে তাদের গুলশানের সিকদার মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানিয়েছেন, শেখ হেলাল ও তার স্ত্রী দুপুরে অবৈধভাবে সম্পত্তি অর্জন ও সম্পত্তির তথ্য গোপনের একটি মামলায় বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোজাম্মেল হোসেনের আদালতে আ্তসমর্পণ করেন। এরপর বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হেলাল চাঁদাবাজির দায়ে সাত বছরের দণ্ড পাওয়া আরেকটি মামলায়ও আরেকটি আদালত থেকেও জামিন চাইলে আদালত তাও নাকচ করে দেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারে সময় জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ আদালত ২০০৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অবৈধভাবে সম্পত্তি অর্জন ও সম্পত্তির তথ্য গোপনের অপরাধে হেলালকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা এবং তা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

স্বামীর দুর্নীতিতে সহযোগিতা করায় হেলালের স্ত্রী রূপা চৌধুরীকে তিন বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং তা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেন ওই আদালত। ওই সময় হেলাল ও রূপা পলাতক ছিলেন বলে তাদের গ্রেফতার অথবা আ্তসমর্পণের দিন থেকে এ সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে বলা হয়। একই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অন্য একটি চাঁদাবাজি মামলার রায়ে শেখ হেলালকে সাত বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। পলাতক অবস্থায় নির্বাচন করে তিনি ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাট থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে জয়ী হন। ২০০৯ সালের ১১ জানুয়ারি উচ্চ আদালতে আ্তসমর্পণ করে মামলার সাজা বাতিলের আবেদন করেন হেলাল। পরদিন বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ও মোঃ আফজাল হোসেনকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ হেলালকে তিন মাসের জামিন দেন। এছাড়াও আদালত ওই দুই মামলার সাজা স্থগিত করে মামলা প্রক্রিয়া কেন তুলে নেয়া হবে না তার কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য সরকারকে আদেশ দেন। একই বেঞ্চ রূপা চৌধুরীকে দুই মাসের জামিন দেন।

রোববার আমার দেশের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন বিষয়টি নিয়ে আর এগোয়নি। ফলে মামলাটি অনিষপন্ন অবস্থায় এতদিন ঝুলে ছিল।

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য যোগ করুন


ইউনিজয় ফোনেটিক প্রভাত English