ডা. ইকবাল কারাগারে


আদালত প্রতিবেদক
অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও
সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এইচবিএম
ইকবালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গতকাল ঢাকার এক নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক এএফএম আমিনুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই আদালতের পূর্বতন বিচারক ফিরোজ আলম ২০০৮ সালের ১১ মার্চ ডা. ইকবালকে দুদক আইনে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ডা. ইকবাল ওই রায় ঘোষণার সময় থেকে পলাতক ছিলেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করার দায়ে আদালত এই মামলায় ডা. ইকবালের স্ত্রী ডা. মমতাজ বেগম ডলি, দুই ছেলে মঈন ইকবাল ও ইমরান ইকবাল এবং মেয়ে নওরীন ইকবালকেও তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ডা. ইকবালের স্ত্রী, ছেলেমেয়েরা এখনও পলাতক।
অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ১১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৩ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদের
মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৫ জুন গুলশান থানায় দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিলেন সহকারী পরিচালক মোঃ ইব্রাহিম। পরে তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ১৮ নভেম্বর দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন সহকারী পরিচালক মোঃ হেলালউদ্দিন শরীফ। ডা. ইকবালকে এই মামলায় ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডও দেন আদালত।
এদিকে ডা. ইকবালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহুল আলোচিত মালিবাগ হত্যাকাণ্ড মামলা হাইকোর্টে স্থগিত থাকায় মামলাটি প্রত্যাহার হয়নি। মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে আবেদনও করে।
তথ্যসূত্র: সমকাল, ২ মার্চ ২০১০