এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক শিৰা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনম এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় আরো একটি মামলা দায়ের হয়েছে। কচুয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি উপজেলার করইশ গ্রামের অধিবাসী ফুয়াদ হাসান বাদি হয়ে সোমবার ওই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজহার মর্মে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ১ মার্চ ছাত্রলীগ নেতা ফুয়াদসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা চাঁদপুরে জেলা যুবলীগের সম্মেলনে বাসযোগে যাওয়ার সময় রহিমানগর উত্তর বাজার সাতবাড়িয়া রোডের মাথায় পৌঁছলে এহসানুল হক মিলনের নেতৃত্বে তার দলীয় ক্যাডাররা ফুয়াদসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের বাস থেকে নামিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে এবং নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
কচুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ বড়ুয়া মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি ছাড়াও আরো ৪টি মামলা রয়েছে। বর্তমান মামলা ব্যতীত সবক’টি মামলায় এহছানুল হক মিলন জামিনে রয়েছেন।
কচুয়ায় পাঁচ জেহাদী বই জব্দ
কচুয়া পৌর বাজারের আল-আমিন ক্যাডেট মাদ্রাসা থেকে পুলিশ সোমবার ইসলামী বইয়ের নামে পাঁচটি জেহাদী বই জব্দ করেছে। জব্দকৃত বই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী ও গোলাম আজমের লেখা ‘আত্মঘাতী বোমা হামলা কেন ও কার স্বার্থে’, ‘আল্লাহর পথে জেহাদ’, ‘ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি’ ও ‘জনগণ কেন আর আওয়ামী লীগকে চায় না’। কচুয়া থানার ওসি জানান, জব্দকৃত বইগুলো যাছাই বাছাই শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক, ৩ মার্চ ২০১০
