ইউনিজয় English

ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে চুয়েট অনির্দিষ্টকাল বন

Jugantor_logo
চট্টগ্রাম ব্যুরো
শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের কারণে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ৩০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় ২০টি কক্ষ ভাংচুর করা হয়। ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গুরুতর আহতরা হচ্ছে- সুজন, আরাফাত, আরিফ, সাজিদ, তনজিম, সবুজ, লুতফুর, নিয়াজ মোর্শেদ, সুরজিত, সাবিবর ও সায়েদ। জানা গেছে, শাহীন-সুজন ও গনি-নুরুদ্দিন দুই গ্রুপই আগে ফুল দিতে যায় শহীদ মিনারে। এ সময় শাহীন-সুজন গ্রুপের কর্মীরা গনি-নুরুদ্দিন গ্রুপের কর্মীদের ওপর ঢিল ছুড়ে মারে। এরপর সংঘর্ষ বেধে যায়। দুই গ্রুপই একে অপরের ওপর হকিস্টিক ও রড নিয়ে হামলা চালায়। এতে উভয় গ্রুপের ৩০ জন আহত হয়। এ সময় চুয়েটের চারটি আবাসিক হলের ২০টি কক্ষ ভাংচুর করা হয়েছে। দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে বেশ কিছু সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চুয়েট ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ছাত্রছাত্রীরা বুধবার বিকালে হল ত্যাগ করেছে। এ ব্যাপারে গনি নুরুদ্দিন গ্রুপের মোহাম্মদ আতাউল গনি ও মোহাম্মদ নুরুদ্দিন বলেন, শাহীন-সুজন পক্ষের কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালালে প্রতিহত করি। তারা ছাত্রদলের আদর্শে বিশ্বাসী। অপর গ্রুপের মহিদুল হাসান সুজন বলেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার জন্য গনি-নুরুদ্দিন গ্রুপের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এ ব্যাপারে ভিসি অধ্যাপক ড. শ্যামল কান্তি বিশ্বাস বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা ছাড়া উপায় ছিল না। এদিকে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলী।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য যোগ করুন


ইউনিজয় ফোনেটিক প্রভাত English