ইউনিজয় English

জুন, 2009 এ অন্তর্ভুক্ত

বেরিয়ে আসছে ‘সৎ’ উপদেষ্টাদের অসৎ ‘কীর্তি’ অনেকের বিরুদ্ধেই দলিল-দস্তাবেজ এসেছে: মহীউদ্দিন খান

শামছুদ্দীন আহমেদ:

ড. ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং এর আগের ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের অনেকের বিরুদ্ধেই উত্থাপিত হচ্ছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ। ফখরুদ্দীন সরকারের দুই প্রভাবশালী উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও মেজর জেনারেল (অব.) এমএ মতিনের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে ইতোমধ্যে পৃথক দুটি সংসদীয় উপ-কমিটি গঠিত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে সাবেক উপদেষ্টা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পদত্যাগী চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধূরীর বিরুদ্ধেও।

জানা গেছে, অনোয়ারুল ইকবাল, বিচারপতি ফজলুল হক, ডা. সুফিয়া রহমানসহ সাবেক আরো কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে অভিযোগ জমা পড়েছে। সেগুলো বর্তমানে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।

সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর গতকাল তার বনানীর বাড়িতে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, সাবেক উপদেষ্টাদের অনেকের বিরুদ্ধেই সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটিতে নানামুখী অনিয়মের দলিল-দস্তাবেজ জমা পড়েছে। এমনও অভিযোগ রয়েছে যে- কারো কারো বিদেশে বাড়ি রয়েছে। তারা সেখানে করও দেন। সময়মতো জনগণের সামনে এগুলো বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে। যারা (উপদেষ্টারা) নিজেদের সৎ দাবি করতেন, রাজনীতিকদের বলতেন দুর্নীতিবাজ- এখন তাদেরই একে একে আসল সুরত বেরিয়ে আসছে। সততার মোড়কে যারা নিজেদের আখের গুছিয়েছেন, চুরি-ডাকাতি করেছেন, স্যুট-প্যান্ট-টাই পরিহিত মুখোশধারী এই ভদ্র লোকদের কালো টাকার তথ্য এবং কালো চেহারা জনগণের সামনের উন্মোচিত হওয়া প্রয়োজন।

তার মতে, সাবেক উপদেষ্টাদের প্রত্যেকের, এমনকি তাদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনদেরও সম্পদের হিসাব নেয়া উচিত। পাশাপাশি জরুরি অবস্থার দুই বছরে ঢাকা ও চট্টগ্রামে যত জমি রেজিস্ট্রি হয়েছে, যত শেয়ার লেনদেন হয়েছে এর তদন্ত হওয়া দরকার। তারা কোটি কোটি টাকা তছনছ করেছে। যৌথবাহিনীর সদস্য হিসেবে যারা বিভিন্নজনের কাছ থেকে ঘুষ ও জোর করে চাঁদা নিয়েছেন তাদেরও সম্পদের হিসাব নিতে হবে। যারা জনগণকে ধোঁকা দিয়েছেন, মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছেন এবং চৌর্যযবৃত্তির সঙ্গে সম্পৃক্তদের সম্পদের হিসাব সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সবাইকে প্রচলিত আইনে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। যেন ভবিষ্যতে আর এই ধরনের ঘটনা না ঘটে। এর মধ্য দিয়ে আরেকটি বিষয় প্রমাণিত হবে- কেউই আইনের ঊধ্র্বে নয়।

ড. মহীউদ্দিন বলেন, ব্যারিস্টার মইনুল, ফখরুদ্দীন, হাসান মশহূদ ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা যা খুশি তা করেছেন। তাদের সম্পদের হিসাব নেয়া দরকার। ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় বিদায়ী সেনাপ্রধানের (মইন উ আহমেদ) ত্রাণ গ্রহণ করা নিয়ে আব্দুল জলিল সংসদে যে প্রশ্ন তুলেছেন তা যৌক্তিক। আমাদের কাছে তথ্য আছে, গল&ফ ক্লাবের উন্নয়নে সাবেক সেনাপ্রধান নয় কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। অনুদান চেয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যাংক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠিও দিয়েছিলেন। এটা বেআইনি ও গর্হিত কাজ। এসব করে তিনি দেশের খ্যাতিমান সশস্ত্র বাহিনীর সুনাম নষ্টের অপচেষ্টা করেছেন। এখানে আমি শুধু একটি কথাই বলবো- অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের সামনে নিয়ে আসা উচিত।

এদিকে, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা কয়েকদিন আগে এই প্রতিবেদককে বলেছেন, ড. ফখরুদ্দীন, মইন উ আহমেদ, হাসান মশহুদ, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও জেনারেল মতিনসহ ১/১১’র সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার ব্যাংক হিসাব জব্দ করা উচিত। তারা যেন পালাতে না পারে সেজন্য তাদের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও দাবি জানান তিনি। সম্পাদনা: জুলফিকার রাসেল

তথ্যসূত্র: http://www.amadershomoy.com/content/2009/06/27/news0091.htm

টেন্ডারবাজি, জমি দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

palo_logo.gif
আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা
বিশেষ প্রতিনিধি
সরকারি দলের নামে টেন্ডারবাজি বা জমিজমা দখলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলার জন্য এসব অপকর্মকে প্রধান হুমকি বিবেচনা করে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগের সব সাংগঠনিক শাখাকে শিগগির চিঠি দেওয়া হবে। পাশাপাশি সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতাকেই দায়ী করা হয়। কেন তারা ব্যর্থ হয়েছে তা নির্ণয় করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন সাংবাদিকদের জানান। বিস্তারিত »

শাহ আলমের সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ালেন আদালত সুপ্রিম কোর্ট প্রতিবেদক

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম), তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলায় বিশেষ জজ আদালতের দেওয়া সাজার কার্যকারিতা স্থগিতের মেয়াদ আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গতকাল সোমবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি বোরহান উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
তবে শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী-পুত্রদের বিরুদ্ধে করা আয়কর ফাঁকির দুটি মামলায় দেওয়া সাজা বাতিলের আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে ৬ জুলাই। গতকাল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান আদালতকে বলেন, শুনানির জন্য রাষ্ট্রপক্ষ প্রস্তুতি নিতে পারেনি। এ জন্য শুনানি করতে দুই সপ্তাহ সময়ের প্রয়োজন। আদালত সময় মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করেন।
গত ৪ জুন শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী-পুত্রদের সাজার কার্যকারিতার ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবীরা। কিন্তু সরকারপক্ষের বিরোধিতার কারণে সাজা স্থগিতের মেয়াদ না বাড়িয়ে মূল আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ গতকাল ২২ জুন নির্ধারণ করেন আদালত।
২৫ মার্চ আবেদনকারীদের আবেদনে বিশেষ আদালতের দেওয়া দণ্ডের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শাহ আলম, তাঁর স্ত্রী-পুত্ররা কর ফাঁকির মামলায় বিশেষ আদালতের দেওয়া রায় চ্যালেঞ্জ করেন। আদালত ওই দিন শুনানি শেষে বিশেষ আদালতের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একই সঙ্গে মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, তা জানাতে রুল দেন।
আগের আদেশ অনুযায়ী আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত দণ্ডের মেয়াদ স্থগিত রয়েছে। গতকালের আদেশের পর ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হলো। এর আগে দণ্ড স্থগিত করলেও হাইকোর্ট শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী-পুত্রদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের পর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত তাঁদেরকে ২৫ জুনের পর আত্মসমর্পণ করতে বলেন।
বিশেষ জজ আদালত কর ফাঁকির মামলায় ২০০৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শাহ আলম, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে আট বছর করে কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের মোট আট কোটি ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

তথ্যসূত্র: http://prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTYxNzM3&mid=MQ==

আব্বাস ও হারিছ ছাড়া দুই সচিবসহ ১১ আসামির নাম প্রত্যাহারের সুপারিশ: ১৮ পরিত্যক্ত বাড়ি বিক্রি দুর্নীতি মামলা

শাহজাহান আকন্দ শুভ:

রাজউকের সেই ১৮ পরিত্যক্ত বাড়ি বিক্রির দুর্নীতি মামলার ১৩ আসামির মধ্যে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও হারিছ চৌধুরী ছাড়া দুই সচিবসহ ১১ আসামির নাম মামলা থেকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা আখ্যা দিয়ে আসামিদের নাম প্রত্যাহারের এ সুপারিশ করেছে ঢাকা জেলা রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত কমিটি। যাদের নাম প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে তাদের সবাই আমলা। আর যাদের নাম প্রত্যাহার করা হয়নি তাদের তিনজন রাজনীতিক ও একজন ব্যবসায়ী। মামলায় ব্যবসায়ী আসামি হলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলম। তার নাম প্রত্যাহারের সুপারিশ করেনি জেলা কমিটি। বর্তমানে মামলাটি বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধীন।

জানা গেছে, রাজউকের মালিকানাধীন ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় ১২৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ মতিঝিল থানায় ১৪০ নম্বর মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদি দুর্নীতি দমন কমিশন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের হয়। মামলায় আসামি করা হয় মির্জা আব্বাস, সরকারের দু’জন সচিবসহ ১১ আমলাকে। পরে এই একটি মামলা থেকে ১৫টি মামলার সৃষ্টি হয়। তদন্ত শেষে দুদক কর্মকর্তা আদালতে ১৫টি চার্জশিট দাখিল করেন।

১৫ চার্জশিটের প্রত্যেকটিরই ১ নম্বর আসামি মির্জা আব্বাস। অন্যদিকে ১৩ নম্বর আসামির কোনোটিতে হারিছ চৌধুরী, কোনোটিতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহ আলম, আবার কোনোটিতে কাজী আনোয়ার হোসেন। এর মধ্যে ১ ও ১৩ নম্বর আসামি রেখে বাকি ১১ জনের নামই ঢাকা জেলা কমিটি প্রত্যাহারের সুপারিশ করে নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বলে জেলা কমিটি সূত্রে জানা গেছে।

যাদের নাম মামলা থেকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন, সাবেক পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম জাফরুল্লাহ, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. শহীদ আলম, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্মসচিব মীর মোশাররফ হোসেন, সোনারগাঁও হোটেলের এমডি গোলাম নবী, রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী ইমদাদুল ইসলাম, পূর্বাচলের প্রকল্প পরিচালক আব্দুস সাদেক, রাজউকের নির্বাহি প্রকৌশলী কাজী রেজাউল মনির, গণপূর্ত অধিদফতরের সাবেক প্রকৌশলী সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, রাজউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, রাজউকের সাবেক পরিচালক হুমায়ুন খান ও গণপূর্ত অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিয়াউদ্দিন আহমেদ। ঘটনার সময় এসএম জাফরুল্লাহ ছিলেন রাজউকের সদস্য, মো. শহীদ আলম ছিলেন চেয়ারম্যান, গোলাম নবী ও মীর মোশাররফ হোসেন ছিলেন রাজউকের পরিচালক। পরবর্তীসময়ে পদোন্নতি পেয়ে তারা অন্যত্র পোস্টিং পান।

তথ্যসূত্র: http://www.amadershomoy.com/content/2009/06/23/news0696.htm

জমির, হামিদ, দেলোয়ার কমিটির বৈঠকে যাবেন না

নাশরাত চৌধুরী: সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটির ডাকে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, সাবেক ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট আখতার হামিদ সিদ্দিকী ও সাবেক চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন কোন সাড়া দিচ্ছেন না। তারা কমিটির পক্ষ থেকে দেয়া চিঠিরও জবাব দেবেন না। এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি দলগতভাবে। কারণ বেআইনি কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি দেবেন না তারা। দলের এ সিদ্ধান্ত শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মনে করেন দলের তিনজন গুরম্নত্বপূর্ণ নেতাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কমিটি ২৭শে জুনের বৈঠকে যাওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছে। তার সঙ্গে কথার সূত্র ধরে এক বিএনপি নেতা বলেন, ম্যাডাম এ অন্যায়ে প্রশ্রয় দেবেন না। তিন নেতা এ চিঠিতে সাড়া দিক দলের সিনিয়র নেতারাও চাইছেন না। বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, সংসদে সর্বদলীয় তদন্ত কমিটি করা হয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে। আমরা ওই কমিটিতে অংশ নেইনি। কমিটি গঠন করতে বিএনপি থেকে সদস্য দেয়ার কথা বলা হলেও আমরা থাকবো না জানিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বগুড়া থেকে উপনির্বাচনে যাতে বিজয়ী হতে না পারেন সেজন্য তার বিরম্নদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়। তাকে উপনির্বাচনে পরাজিত করার জন্য যা যা করা দরকার, সবই তাদের পক্ষ থেকে করা হয়। যাদের দিয়ে সংসদে ব্যারিস্টার জমিরের বিরম্নদ্ধে কথা বলানো হয়, পরে তাদেরই কমিটিতে রাখা হয়। জয়নুল আবেদীন ফারম্নক বলেন, যে কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের তিনজনকে ডাকা হয়েছে তা বৈধ নয়। কারণ সাব-কমিটি করেছেন সর্বদলীয় কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি তার ইচ্ছামতো সাব-কমিটি করে বিএনপি’র নেতাদের বিরম্নদ্ধে বিষোদগার করেছেন। এটা তিনি করতে গিয়ে আইনসিদ্ধ নয় এমন কাজ করে ফেলেছেন। এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। বিএনপি’র রাজনৈতিক কাঠামোকে তারা দুর্বল করতে চাইছেন। তিনি জানান, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের বিরম্নদ্ধে নির্বাচনের আগে অভিযোগ তোলা হয়। এখন তিনি নির্বাচিত। খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। আর সাবেক ডেপুটি স্পিকার কয়েকদিন আগে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এ অবস্থায় তিন নেতা দলীয় কর্মকাণ্ডে যাতে সক্রিয় না থাকেন সে জন্য তাদের দলীয়ভাবে দুর্বল করার জন্য তারা কাজ করছেন। তিনি বলেন, কমিটি চিঠি দিতে পারে না। কারণ তাদের সেই অধিকার নেই। কমিটি নিজে অভিযোগের তদন্ত করেনি। তদন্ত না করেই তারা চিঠি দিয়েছেন। তারা তাদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটা করবে। প্রয়োজন হলে শোকজ করবে। তা না করে সরাসরি হাজির হতে বলেছে। তিনি আরও বলেন, অসত্য তথ্য ও বেআইনি কাজের আইনগত ভিত্তি না থাকায় দল থেকে তাদের চিঠির জবাব দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছি না। সূত্র জানায়, ব্যারিস্টার জমির, এডভোকেট আখতার হামিদ সিদ্দিকী ও খোন্দকার দেলোয়ার এ ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ চিঠির জবাব দেবেন না। তারা যাবেন না। তাদের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি দলীয় সিদ্ধান্ত তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, ২৭শে জুনের পর কমিটি কি ব্যবস্থা নেয় তা দেখে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। রোববার সকালে সংসদ সচিবালয়ের বিশেষ বাহকের মাধ্যমে তিন নেতার বাসায় চিঠি পাঠায় সর্বদলীয় সংসদীয় তদন্ত কমিটি। এতে বলা হয়, অষ্টম সংসদে বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার কিছু দালিলিক প্রমাণ কমিটির কাছে রয়েছে। এ বিষয়ে কমিটির কাছে এসে আপনার বক্তব্য জানালে আমরা উপকৃত হবো। এ ব্যাপারে বিরোধীদলীয় হুইপ ফারম্নক বলেন, চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়াও ঠিক নয়। আইনসিদ্ধ নয় এমন চিঠির জবাব দেয়া হচ্ছে বেআইনি কাজকে মেনে নেয়া।

তথ্যসূত্র: http://www.manabzamin.net/lead-03.htm

স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার ভাই বেকসুর খালাস: চাঁদাবাজির মামলা

।। কোর্ট রিপোর্টার ।।

শেখ হাসিনার সাবেক এ.পি.এস ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাসিমকে ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজির মামলায় বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। গতকাল খালাসের এ আদেশ দিয়েছেন ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিঃ মহানগর দায়রা জজ মোঃ নূরম্নল ইসলাম। একই মামলায় বাহাউদ্দিন নাসিমের ছোট ভাই মোঃ খালিদ হোসেন ইরাদকেও খালাস দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে বাহাউদ্দিন নাসিম ২টি মামলায় খালাস পেলেন। গত ১৬ জুন তার বিরম্নদ্ধে দায়েরকৃত একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালাস প্রদান করা হয়।

২০০৭ সালের ১ আগষ্ট মোঃ রোশন আলী মাস্টার বাদী হয়ে শ্যামপুর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

তথ্যসূত্র: http://www.ittefaq.com/content/2009/06/23/news0266.htm

Hasnat lands in jail

22-06-09.jpg
dailystar_logo
Court Correspondent

A Dhaka court yesterday sent Awami League leader Abu Hasnat Abdullah to jail after he surrendered before the court in a tax evasion case in which he was earlier sentenced to nine years’ imprisonment in absentia. বিস্তারিত »

হাসানাত কারাগারে

shomokal.jpg
আদালত প্রতিবেদক

আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক দুই মামলায় ২২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ গতকাল রোববার আত্মসমর্পন করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। রোববার দুপুরে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ঢাকার দুই নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আয়কর ফাঁকির মামলায় বিচারক অমর কুমার রায়ের আদালতে আত্মসমপর্ন করেন। একই বিচারক ২০০৭ সালের ১২ ডিসেম্বর অভিযুক্তকে নয় বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছিলেন। আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ গত ১ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত চার সপ্তাহের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিস্তারিত »

২২ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হাসানাত আবদুল্লাহ কারাগারে

palo_logo.gif
আদালত প্রতিবেদক

দুটি মামলায় ২২ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক চিফ হুইপ ও আওয়ামী লীগের নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে গতকাল রোববার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এ আত্মসমর্পণ করেন। বিচারক অমর কুমার রায় দুটি মামলায় সাজা পরোয়ানা জারি করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিস্তারিত »

আত্মসমর্পণের পর হাসানাত আবদুল্লাহ কারাগারে

Jugantor_logo
কোর্ট রিপোর্টার
 
আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক দুই মামলায় ২২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার দুপুরে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ঢাকার দুই নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আয়কর ফাঁকির মামলায় আত্মসমর্পন করলে বিচারক অমর কুমার রায় (একে রায়) তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই বিচারক ২০০৭ সালের ১২ ডিসেম্বর অভিযুক্তকে নয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। তখন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ পলাতক ছিলেন। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় তাকে ২০০৮ সালের ৩ মার্চ ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। আবুল হাসানাত আবুদল্লাহ ১ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত চার সপ্তাহের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে (নিম্ন আদালত) হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশ অনুযায়ী তিনি গতকাল আ্তসমর্পণ করেন। বিস্তারিত »

পরবর্তী পৃষ্ঠা »