ইউনিজয় English

মে, 2007 এ অন্তর্ভুক্ত

বড় বড় মাছ যেতো উপঢৌকন হিসেবে, কোরবানি দিতেন ভাগে ছাদের বাগানে ব্যবসায়িক আলাপ

bhorerkagoj_logo

দিনের শেষে প্রতিবেদক : বন দুর্নীতির রাজা ওসমান গণির দুর্নীতির কমতি ছিল না৷ শুধু অর্থ নয়, তার বনবীথির ও বাসায় বড় বড় মাছ যেতো উপঢৌকন হিসেবে৷ তাই বাড়িতে তার বাজার করা হতো খুব কম৷ যদিও কখনো কোনো দিন শখের বসে বাজার করতেন, তাহলে টুকরি বোঝাই করে বাজার করা হতো৷ গতকাল সন্ধ্যা৷ বনবীথির বিপরীতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের গেটের সামনে জটলা অনেক মানুষের৷ আলোচনার বিষয় ‘বনের রাজা’র দুর্নীতি৷ ওসমান গনি ধরা পড়ায় তার বাড়ির পাশের লোকজন এমনটিই বলছেন৷ এলাকার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তার অন্তরে মানুষের জন্য দয়ামায়া ছিল না৷ তিনি কাউকে কিছু দিতে চাইতেন না৷ তিনি কোরবানির ঈদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কোরবানির সময় তিনি অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করে গরম্ন কোরবানি দিতেন৷ কিন্তু প্রতি ঈদে উপহার হিসেবে পেতেন তিনটি খাসি৷ কোনোদিন কাউকে ১ পিস মাংসও দেননি৷ এলাকাবাসীর দৃষ্টিতে ওসমান গণি বনবিভাগের সরকারি কলোনির ৮টি ভবনের কারো সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতেন না৷ নিজের মতোই চলতেন৷ বনবীথির সামনে বড় রাস্তার গেটে ৩ থেকে ৪ জন লোক জমায়েত হয়ে আড্ডা দিলেই চিৎকার করে উঠতেন৷ বা গেটে কোনো গাড়ি দাঁড়ালে কি কারণে এখানে গাড়ি রেখেছে তা নিয়ে হইচই করতেন৷ বিস্তারিত »

নয়াবাজারে মুফতি শহীদুলের বিলাসবহুল গাড়ি আটক দুদকের মামলা

bhorerkagoj_logo

দিনের শেষে প্রতিবেদক : ইসলামী ঐক্যজোট নেতা মুফতি শহীদুল ইসলামের বিলাসবহুল গাড়ি আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ৷ আজ সকাল ৮টায় নয়াবাজার চেকপোস্টে লেক্সাস (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৮২৬৩) গাড়িটি আটক করেন এসআই কাইয়ুম৷ সাড়ে ৮টায় গাড়িটি কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়৷ পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন৷ এর নম্বর ৬৮ (৩১/০৫/০৭)৷ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরম্নল হাসান জানান, মামলাটি তদন্তও করবে দুর্নীতি দমন কমিশন৷
তথ্যসূত্র: ভোরের কাগজ, ৩১ মে, ২০০৭

জলিল, বাবর, সেলিম, মিন্টু ও হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত

bhorerkagoj_logo

দিনের শেষে প্রতিবেদক :রিমান্ডে তিন রাজনীতিবিদ আর দুই শিল্পপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বিশেষ টাস্কফোর্স৷ তবে তাদের কোথায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচেছ- এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না৷ একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, নানা বিষয়ে তাদের প্রশ্ন করা হচেছ৷
তিন রাজনীতিবিদ আর দুই শিল্পপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে৷ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে বিশেষ টাস্কফোর্স৷ তবে কোথায় রেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচেছ, সে সম্পর্কে কেউ মুখ খুলছেন না৷ রিমান্ডে নেয়া রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতিদের পরিবারও তাদের অবস্থান সম্পর্কে কিছুই জানেন না৷ বিস্তারিত »

সরোয়ারের সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি

তিন মেয়ের নামে ব্যাংকে কোটি টাকার স্থায়ী আমানত!
palo_logo.gif
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
দুর্নীতিবিরোধী জাতীয় টাস্কফোর্সের একটি দল দ্বিতীয় দিনের মতো গতকাল বুধবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ারের সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি চালিয়েছে। বরিশালে দুটি ব্যাংকে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে তদন্তদল তাঁর তিন মেয়ের নামে এক কোটি টাকারও বেশি স্থায়ী আমানতের হিসাব পেয়েছে। আর মেয়রের বাসায় পেয়েছে নগদ টাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।

জানা গেছে, দুর্নীতিবিরোধী জাতীয় টাস্কফোর্সের একটি দল গত মঙ্গলবার থেকে মেয়র সরোয়ারের সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই দলকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দিচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবারও তল্লাশি চলতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিস্তারিত »

সাইফুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ

palo_logo.gif
নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে তাঁকে তাঁর গুলশানের বাসভবনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানা গেছে। তবে সাইফুর রহমান এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তাঁর বাসা থেকেও এ ঘটনা অস্বীকার করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গতকাল সকালে সাবেক অর্থমন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর বাড়ি ফিরে আসেন। এরপর বিশেষ শাখার একটি দল তাঁর বাসায় গিয়ে খোঁজখবর করে। তারা বাড়ির নিরাপত্তা সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। বিকেল সাড়ে চারটার পর যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সাইফুর রহমানের বাসভবনে যান। এরপর যৌথ বাহিনীর দুজন কর্মকর্তা সাইফুর রহমানকে বসার ঘরে ডেকে এনে কয়েকটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওই দুই কর্মকর্তা প্রায় আধা ঘণটা সেখানে ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁরা কী নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তা জানা যায়নি। বিস্তারিত »

‘বনের রাজা’র তোশকের ভেতরেও টাকা মোট এক কোটি ৬ লাখ টাকা, ৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও ২৮৯ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার

2.jpg
palo_logo.gif
আনিস রহমান
‘বনের রাজা’ ওসমান গনির শখ মাছ ধরা আর ছবি তোলা। বন বিভাগের একটি প্রকাশনায় তাঁর ব্যক্তি পরিচিতিতে এমনটি উল্লেখ আছে।
তবে গতকাল বুধবারও তাঁর উত্তরার সরকারি বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। কিন্তু মাছ ধরার কোনো বড়শি বা ছবি তোলার কোনো ক্যামেরা পাওয়া যায়নি তাঁর বাসায়। পাওয়া গেছে আরও সাত লাখ নগদ টাকা আর সাত লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। এবার বালিশ নয়, টাকা ও সঞ্চয়পত্র পাওয়া গেছে তোশকের ভেতর।

আগের দিন মঙ্গলবার তাঁর বাসার বালিশ, চালের ড্রাম ইত্যাদির মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। বাসা আর ব্যাংকের ভাড়ায় নেওয়া সিন্দুকে (লকার) পাওয়া গেছে ২৮৯ ভরি স্বর্ণালংকার। আর তাঁর নিজের নামে রয়েছে দুটি পাসপোর্ট। গতকাল উত্তরা থানায় জরুরি বিধিমালা ও পাসপোর্ট আইনে ওসমান গনির বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বিকেলে তাঁকে আদালতে হাজির করে দুটি মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিস্তারিত »

শেখ সেলিম ও মিন্টু রিমান্ডে, জলিল বাবরকে জেরা

1.jpg
palo_logo.gif
নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বরিশালের মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ারকে পাঠানো হয়েছে কারাগারে। গত মঙ্গলবার ভোরে তাঁদের আটকের পর গুলশান থানায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক সাংসদ, শিল্পপতি এম এ হাসেমকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলে জানা গেছে।

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী চলমান অভিযানে গত সোমবার থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ১১ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সিবিএ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে গতকাল আদালতে হাজির করা হয়। মহানগর হাকিম মামুন আল রশিদ শেখ সেলিমকে তিন দিন ও আবদুল আউয়াল মিন্টুর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই তিনজনের বিরুদ্ধেই দুর্নীতি ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়। বিস্তারিত »

সেলিম ও মিন্টুকে আদালতে তোলা হয়েছে

bhorerkagoj_logo

দিনের শেষে প্রতিবেদক : যৌথবাহিনীর তৃতীয় দফা অভিযানে কুপোকাত হওয়া শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এবং ব্যবসায়ী নেতা ও শিল্পপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে আজ দুপুরের পর আদালতে তোলা হয়েছে৷ প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার গভীর রাতে মিন্টুকে, ভোরে সেলিমকে এবং গতকাল সকাল সাড়ে ন’টায় মজিবর রহমান সরোয়ারকে আটক করে যৌথবাহিনী৷

বিকালে তাদের তিন জনকেই মহানগর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মামুন আল রশীদের আদালতে তোলা হয়৷ এর আগে গতকাল আদালতে তোলা হয়েছিল আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, শিল্পপতি এম এ হাসেম, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আলতাফ হোসেন, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সিবিএ নেতা মোলৱা আবুল কালাম আজাদকে আদালতে তোলা হয়৷ এরমধ্যে প্রথম তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়৷ বাকিদের পাঠিয়ে দেয়া হয় কারাগারে৷
তথ্যসূত্র: ভোরের কাগজ, ৩০মে, ২০০৭

২১ জনের ১৭ জনকে নোটিশ দিয়েছে দুদক

bhorerkagoj_logo

দিনের শেষে প্রতিবেদক : আইজি প্রিজনের মাধ্যমে আজ সকালে কারাবন্দি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানের কাছে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কশিশন (দুদক)৷ তারেক রহমানসহ ৭ জনের কাছে কারাগারে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়৷ বাকি ৬ জন হলেন বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়া, এইচ এম সেলিম (সিলভার সেলিম), আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগ নেতা কামাল আহমেদ মজুমদার, ব্যবসায়ী ও জনকন্ঠের প্রকাশক ও সম্পাদক আতিকুলৱাহ খান মাসুদ৷ দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, নোটিশ প্রাপ্তির ৭ দিন সময়সীমার মধ্যেই যারা জেলে আছেন তারা প্রতিনিধির মাধ্যমে, অন্যদিকে যারা জেলের বাইরে আছেন তাদের সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভ‚ত সম্পদের হিসাব দুদক সচিবের বরাবরে দাখিল করতে হবে৷ বিস্তারিত »

২০০৪ সালে আলতাফ বলেছিলেন ‘সংস্কার করা কারাগারে গেলে আর বেরোতে ইচ্ছা করবে না’

palo_logo.gif
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও বরিশাল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময়ে আলতাফ হোসেন চৌধুরী কারাগার সংস্কারে ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে ২০০৪ সালের ২২ মার্চ জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, ‘দু থেকে আড়াই বছরের মধ্যে প্রকল্প শেষ হবে। আর প্রকল্প শেষ হলে কারাগারে গরম পানি ও ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা থাকবে। তখন কারাগারে গেলে আর বেরোতে ইচ্ছা করবে না।’

সেই আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে আটক করে গতকাল মঙ্গলবার কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কারাগার থেকে তাঁর বের হতে ইচ্ছা করছে কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি। পাঁচ বছর আগে ২০০২ সালের ১০ মে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় বাবার কোলে থাকা শিশু নওশীন সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারায়। পরদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী নওশীনদের বাসায় যান। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘হায়াত মউত আল্লাহর হাতে। যার মউত যেখানে লেখা আছে, সে সেখানেই মারা যাবে, এক ইঞ্চিও নড়চড় হবে না। আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে। দোয়া করি, তার কবর যেন বেহেশতের এক টুকরো বাগানে পরিণত হয়।’ বিস্তারিত »

পরবর্তী পৃষ্ঠা »