বড় বড় মাছ যেতো উপঢৌকন হিসেবে, কোরবানি দিতেন ভাগে ছাদের বাগানে ব্যবসায়িক আলাপ
দিনের শেষে প্রতিবেদক : বন দুর্নীতির রাজা ওসমান গণির দুর্নীতির কমতি ছিল না৷ শুধু অর্থ নয়, তার বনবীথির ও বাসায় বড় বড় মাছ যেতো উপঢৌকন হিসেবে৷ তাই বাড়িতে তার বাজার করা হতো খুব কম৷ যদিও কখনো কোনো দিন শখের বসে বাজার করতেন, তাহলে টুকরি বোঝাই করে বাজার করা হতো৷ গতকাল সন্ধ্যা৷ বনবীথির বিপরীতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের গেটের সামনে জটলা অনেক মানুষের৷ আলোচনার বিষয় ‘বনের রাজা’র দুর্নীতি৷ ওসমান গনি ধরা পড়ায় তার বাড়ির পাশের লোকজন এমনটিই বলছেন৷ এলাকার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তার অন্তরে মানুষের জন্য দয়ামায়া ছিল না৷ তিনি কাউকে কিছু দিতে চাইতেন না৷ তিনি কোরবানির ঈদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কোরবানির সময় তিনি অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করে গরম্ন কোরবানি দিতেন৷ কিন্তু প্রতি ঈদে উপহার হিসেবে পেতেন তিনটি খাসি৷ কোনোদিন কাউকে ১ পিস মাংসও দেননি৷ এলাকাবাসীর দৃষ্টিতে ওসমান গণি বনবিভাগের সরকারি কলোনির ৮টি ভবনের কারো সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতেন না৷ নিজের মতোই চলতেন৷ বনবীথির সামনে বড় রাস্তার গেটে ৩ থেকে ৪ জন লোক জমায়েত হয়ে আড্ডা দিলেই চিৎকার করে উঠতেন৷ বা গেটে কোনো গাড়ি দাঁড়ালে কি কারণে এখানে গাড়ি রেখেছে তা নিয়ে হইচই করতেন৷ বিস্তারিত »

মন্তব্য(0)

