ইউনিজয় English

'চুরি' ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভুক্ত নিউজসমূহ

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মিলন কারাগারে

shomokal.jpg
চাঁদপুর প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ নেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের গাড়ি ভাংচুরের মামলায় সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন চাঁদপুরের একটি আদালত।
রোববার চাঁদপুরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী হাজিরা দিতে এলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রথমে মিলনকে চাঁদপুর কারাগারে নেওয়া হয়। সেখানে ডিভিশন সুবিধা না থাকায় রাতে এহছানুল হক মিলনকে কুমিল্লা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। বিস্তারিত »

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিলন জেলহাজতে

palo_logo.gif
চাঁদপুর প্রতিনিধি
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা মহীউদ্দীন খান আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার মামলায় গতকাল রোববার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিস্তারিত »

চাঁদপুরে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মিলন জেলহাজতে

Jugantor_logo
চাঁদপুর প্রতিনিধি
গাড়ি ভাংচুরসহ হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলার জামিন নামঞ্জুর করে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী হাজিরা দিতে গেলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মিলনের আইনজীবী মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে রওনা হয়ে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মহিলা আওয়ামী লীগের একটি সভায় ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর যোগদানের সময় পথিমধ্যে সাচারবাজার এলাকায় মিলন দলীয় লোকজনসহ হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে- এ অভিযোগ এনে কলিম উল্যাহ নামের স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করেন। মামলাটি অবশ্য ঘটনার ৬ বছর পর ২০০৯ সালের ৬ মে আদালতে দায়ের করা হয়। এতে মিলন ও তার স্ত্রী বিএনপি নেতা নাজমুন নাহার বেবীসহ ৩৪ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ১১ নভেম্বর মিলন হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের জামিন নিয়ে রাখলেও তা চাঁদপুরের আদালতে দেরিতে পৌঁছায় এবং চার্জশিট দাখিল হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ১৮ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এ মামলায় ২৬ জানুয়ারি মিলন ও তার স্ত্রী জামিন নেন। পরে এ মামলায় ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। বিস্তারিত »

Milon sent to jail

dailystar_logo
A Correspondent, Chandpur
A Chandpur court yesterday sent former state minister for education ANM Ehsanul Haque Milon to jail in a case filed for vandalising a car of Awami League lawmaker Mohiuddin Khan Alamgir in 2003. বিস্তারিত »

জেলে গেলেন সাবেক প্র্রতিমন্ত্রী মিলন

15-03-10.jpg
top22.jpg
আবদুল আউয়াল রুবেল, চাঁদপুর থেকে: ভ্যানিটি ব্যাগসহ টাকা এবং স্বর্ণের নেকলেস ছিনতাই মামলায় জেলে গেলেন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন। গতকাল রোববার চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মিলনের আইনজীবীদের পৃথক এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার সুচিকিৎসা এবং জেলকোড অনুযায়ী ডিভিশনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছেন। বিস্তারিত »

এসি সোফা টেবিল কিছুই ফেরত দেননি জমিরউদ্দিন সরকার


সমকাল প্রতিবেদক : সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার তার সরকারি বাসভবনের এসি, সোফা, টেবিলসহ মূল্যবান সরকারি সম্পদ ফেরত দেননিএগুলো ফেরত না পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংসদের কাছে সুপারিশ করা হয়েছেতিনি তার সরকারি বাসভবনের জন্য আসবাবপত্র কিনতে ও গৃহসজ্জিত করতে ১২ লাখ টাকার ওপরে বাড়তি ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছিলেন
সাবেক স্পিকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছেএতে বলা হয়েছে, সাবেক স্পিকার তার ২১ বেইলি রোডের বাসার জন্য বিভিন্ন দ্রব্য নেওয়ার পরও বুক ডেবিটের মাধ্যমে গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে আবারও ১২ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৪ টাকার আসবাবপত্র ও গৃহসজ্জিত করার উপকরণ নিয়েছিলেনপরে এসব মালামাল ফেরতের সময় সংসদের কেয়ারটেকার ইউনিট একটি তালিকা তৈরি করেতদন্ত কমিটি লক্ষ্য করেছে, স্পিকারের সরকারি বাড়িতে যেসব মালামাল সরবরাহ করা হয়েছিল তার সব ফেরত পাওয়া যায়নিতদন্ত কমিটির রিপোর্টে সে তালিকা সংযোজন করে সুপারিশে বলা হয়েছে, এগুলো ফেরত না দিয়ে তিনি নৈতিকতাবিরোধী কাজ করেছেনমূল্যবান এ সম্পদ ফেরত না দেওয়া আত্মসাতের শামিলতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আগে করণীয় হিসেবে সুপারিশে বলা হয়েছে, যেসব মালামাল তিনি ফেরত দেননি তা পুনরায় ফেরত চাওয়া বা তার সমপরিমাণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুরোধ করা যেতে পারে
সাবেক স্পিকারের ফেরত না দেওয়া সামগ্রীর তালিকায় রয়েছে একটি উইন্ডো টাইপ এসি, ২ ও ৩ টনের দুটি স্পিল্গন্ট টাইপ এসি, কিং সাইজ খাট একটি, একটি ডাবল সাইজ আয়রনের খাট, তিন সেট সোফা, সেন্টার টেবিল ৬টি, একটি বড় সেক্রেটারিয়েট টেবিল ও রিভলবিং চেয়ার, হাতলওয়ালা গদির চেয়ার তিনটি, সাধারণ চেয়ার ৪টি, সেগুন কাঠের চারটি বুক শেলফ, সাইড কেবিনেট একটি, চেস্ট অব ড্রয়ার একটি, একটি হাজার ভিএ ভোল্টেজ স্টাবিলাইজার, একটি কম্পিউটার টেবিল এবং সঙ্গে ৬ মিলিমিটার পুরু ৮ ফুট বাই ৪ ফুট প্লাস্টিক সিট, মাইক্রোওভেন একটি, ওভেন টেবিল একটি, ডিনার ওয়াগন দুটি, ব্লেন্ডার মেশিন দুটি, এয়ারপট একটি, ইলেকট্রিক কেটলি দুটি, টেবিল ল্যাম্প, রিচার্জেবল চার্জার ৭টি, কলিংবেল ৫টি, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দুটি এবং বিভিন্ন সাইজের ১০টি করে মোট ৪০টি পাপশ এছাড়াও দুটি কয়ার ফোম, ৪টি তোশক, চারটি চাদর, ৭টি বালিশ এবং ২২শবর্গফুট ফ্লোর ম্যাট না পাওয়ার হিসাব দেওয়া হয়েছে
সংসদ সচিবালয়ের হিসাবের ভাউচার থেকে এসব আসবাবের কয়েকটির ক্রয়মূল্য পাওয়া গেছে_ কিং সাইজ খাটটির মূল্য ছিল ৭০ হাজার ৫শটাকা, ডাবল সাইজ খাট ২১ হাজার ১৫০ টাকা, এক সেট এক্সক্লুসিভ সোফার দাম ছিল ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা, সিটের সোফা দুই সেট ৭০ হাজার ৫শটাকা, সেন্টার টেবিল ৬টি মোট ৮ হাজার টাকা, ডিনার ওয়াগন ১৮ হাজার টাকা, সেগুন কাঠের বুক শেলফ প্রতিটির দাম ১৭ হাজার ৬২৫ টাকা, চেস্ট অব ড্রয়ার ১২ হাজার ৯২৫ টাকা, সাইড কেবিনেট কাচসহ ২১ হাজার ১৫০টাকা, সেক্রেটারিয়েট টেবিল ২৮ হাজার ২শটাকাএছাড়াও হেভি ডিউটির ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দুটির মূল্য ২৭ হাজার ৭১০ টাকা, টেবিল ল্যাম্প প্রতিটি এক হাজার ৭৬২ টাকা ৫০ পয়সা
সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখানো হয়েছে, আগের স্পিকার আবদুল হামিদ বাসভবনটি ছেড়ে দেওয়ার পর গণপূর্ত বিভাগ নিয়ম অনুযায়ী এর সংস্কার ও আনুষঙ্গিক আসবাব দিয়ে সজ্জিত করার কাজ সম্পন্ন করেপরে স্পিকার হিসেবে জমিরউদ্দিন সরকারের চাহিদা অনুযায়ী ১২ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৪ টাকার নতুন আসবাব সরবরাহ করা হয়েছিল
প্রসঙ্গত, স্পিকার অ্যান্ড ডেপুটি স্পিকার (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট-এর ৮(১) ধারা অনুযায়ী স্পিকারের জন্য সরকারি খরচে একটি বাসভবন সজ্জিত ও রক্ষণাবেক্ষণের বিধান আছেস্পিকার সরকারি বাসভবনে বসবাস না করলে বাসভবন সজ্জিতকরণ বাবদে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পানসরকারি বাসভবনে থাকলে বাসভবন সজ্জিত করার দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগেরএক্ষেত্রে কোনো আর্থিক সীমা নেই এ অজুহাতে সোয়া ১২ লাখ টাকার ওপরে খরচ করে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকারের জন্য সরকারি বাসভবন সাজানো হয়েছিল

 

তথ্যসূত্র: http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&menu_type=&option=single&news_id=4076&pub_no=46

 

দেলোয়ারের বাড়িতে বিদ্যুতের ১২টি মিটার ছিল!


সমকাল প্রতিবেদক : নিজ বাসায় খরচ করা বিদ্যুতের জন্য ১২টি আলাদা মিটার স্থাপনের নজিরবিহীন ব্যবস্থা ছিল সাবেক চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বাসভবনে
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে
এ তথ্য পাওয়া গেছে২০০২ সালের জুলাই থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত কালীন চিফ হুইপের বাসভবনের ১২টি মিটারের বিদ্যু বিলের টাকা সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া হয়েছেএ নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকার পরও কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ছাড়াই সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও তকালীন সংসদ সচিব ওই মিটারগুলোর বিলের টাকা পরিশোধের ভাউচার অনুমোদন করেছেন
পরিবারের সদস্যদের প্রত্যেকের ব্যবহার করা বিদ্যুতের বিল তোলার জন্য এক বাসভবনে ১২টি আলাদা বৈদ্যুতিক মিটারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, নাকি বেশি বিদ্যু ব্যবহার করে বিল
ফাঁকি দেওয়ার কৌশল হিসেবে সাবেক চিফ হুইপ এ ব্যবস্থা করেছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এ ব্যবস্থার আড়ালে দুর্নীতি ছিল কি-না তাও খতিয়ে দেখা হয়নি
কমিটির পক্ষ থেকে সংসদে যে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা গেছে, সাবেক চিফ হুইপের স্ত্রী শাহেরা হোসেনের নামে একই ঠিকানায় ১২টি পৃথক হিসাব নম্বরে আলাদা আলাদা ১২টি মিটারের বিদ্যু বিল নিয়মিত সংসদ সচিবালয় থেকে তোলা হয়েছেআরমানিটোলার ১০৩, শরচন্দ্র রোডের বাসভবনের ১২টি মিটারে বিদ্যু বিল বাবদ সাবেক চিফ হুইপকে সংসদ সচিবালয় মোট ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৯৭ টাকা ৫৭ পয়সা পরিশোধ করে
সাবেক চিফ হুইপ সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে নিজ বাসভবনে বসবাস করায় বাড়িভাড়াসহ বিদ্যু, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন বিলের টাকা তিনি সরকারের কাছ থেকে পেতেনএস্টাবলিস্টমেন্ট ম্যানুয়েল (ভলিউম-২) ৭(৪)অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্নদের এই খরচ সরকারিভাবে বহন করা হয়সংসদ সচিবালয় চিফ হুইপের এই খরচ রাষ্ট্রীয় দায় হিসেবে পরিশোধ করে
সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিধিবহির্ভূতভাবে সাবেক চিফ হুইপকে আবাসিক খাতে একই ঠিকানায় ১২টি মিটারের বিদ্যু বিল সংসদ থেকে পরিশোধ করে সরকারি অর্থ অপচয় করা হয়েছেএকটি বাদে ১১টি বিলের অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য তাকে অনুরোধ করতে হবেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলেও তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে

 

তথ্যসূত্র: http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=3884&pub_no=45

 

15/7/09

দেলোয়ারের রান্নাঘরে কয়টি গ্যাসের চুলা?


সমকাল প্রতিবেদক : সাবেক চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বাসভবনে রান্না হতো কটি রান্নাঘরে? প্রতি মাসে তার বাসভবনের মোট ৮টি চুলার গ্যাস বিলের টাকা সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া হয়েছেএর মধ্যে ৬টি আবার ডাবল বার্নারঅর্থা সব মিলিয়ে সাবেক চিফ হুইপের বাসায় মোট ১৪টি চুলায় রান্না হতোএর কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ছাড়াই সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও কালীন সংসদ সচিব বিগত অষ্টম সংসদের মেয়াদকালে চিফ হুইপের বাসভবনের গ্যাস বিলের টাকা পরিশোধের ভাউচার অনুমোদন করেন
সাবেক স্পিকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছেসাবেক চিফ হুইপ সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে নিজ বাসভবনে বসবাস করেছেনআরমানিটোলার ১০৩ শরচন্দ্র রোডের নিজস্ব বাসভবনে বসবাস করায় তিনি সরকারিভাবে বাড়ি ভাড়া, ভাতাসহ বিদ্যু, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন বিল বাবদ খরচের টাকা পেতেনএস্টাবলিস্টমেন্ট ম্যানুয়াল (ভলিউম-২) ৭(৪)অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্নদের এই খরচ সরকারিভাবে বহন করা হয়
খোন্দকার দেলোয়ারের বিদ্যু বিলের মিটার ছিল স্ত্রী শাহেরা হোসেনের নামে তিনি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের গ্যাস বিল পরিশোধের যে বিল ভাউচার সংসদ সচিবালয়ে দাখিল করতেন, তা ছিল নিজের নামেএতে ২টি সিঙ্গেল বার্নার এবং ৬টি ডাবল বার্নার চুলার গ্যাস বিল সঠিক বলে সহকারী একান্ত সচিব সিএম মনিরুজ্জামান বিশ্বাস প্রত্যয়ন করতেন
তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিধিবহির্ভূতভাবে সাবেক চিফ হুইপকে আবাসিক খাতে একই ঠিকানায় ৮টি চুলার গ্যাসের বিল সংসদ থেকে পরিশোধ করে সরকারি অর্থ অপচয় করা হয়েছেএ জন্য তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলেও সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি

 

তথ্যসুত্র: http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&view=archiev&y=2009&m=7&d=14&action=main&menu_type=&option=single&news_id=3738&pub_no=

 

 

হুদা, আব্বাস, নাছির আলমগীর, দুলু ও ফালুর জামিন

palo_logo.gif
আদালত প্রতিবেদক
পাঁচ সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, মির্জা আব্বাস, মীর নাছিরউদ্দিন, মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও রুহুল কুদ্দুস দুলু এবং সাবেক সাংসদ মোসাদ্দেক আলী ফালুকে পৃথক দুর্নীতির মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গতকাল বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মামনুন রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ পৃথক দুর্নীতির মামলায় জামিনের এ আদেশ দেন।

গতকাল ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে এক লাখ টাকা চাঁদাবাজি, মোবাইল চুরি ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নামে অবৈধভাবে জমি বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় জামিনের আদেশ দেন আদালত। বিস্তারিত »

খালেদা তারেক ও নিজামীসহ ৬ জনের জামিন

Jugantor_logo
যুগান্তর রিপোর্ট
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমীর সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ ৬ জনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আখতার হামিদ পবনের হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত করেননি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। ২৮ আগস্ট সুপ্রিমকোর্টের ফুল বেঞ্চে হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের আপিল আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্ট আরও যাদের জামিন দিয়েছেন তারা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর স্ত্রী সিগমা হুদা ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন।

জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না এ ব্যাপারে একটি রুল দিয়েছেন আদালত। আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বেগম জিয়ার কৌঁসুলি বিশিষ্ট আইনজীবী খন্দকার মাহবুবউদ্দিন আহমাদ বলেন, এটি একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়া যেসব কাজ করেছেন, তাতে কোন ভুল করেননি। তাই এ ব্যাপারে মামলা চলতে পারে না। বিস্তারিত »

পরবর্তী পৃষ্ঠা »