চাঁদপুর প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ নেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের গাড়ি ভাংচুরের মামলায় সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন চাঁদপুরের একটি আদালত।
রোববার চাঁদপুরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী হাজিরা দিতে এলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রথমে মিলনকে চাঁদপুর কারাগারে নেওয়া হয়। সেখানে ডিভিশন সুবিধা না থাকায় রাতে এহছানুল হক মিলনকে কুমিল্লা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
বিস্তারিত »
চাঁদপুর প্রতিনিধি
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা মহীউদ্দীন খান আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার মামলায় গতকাল রোববার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিস্তারিত »
চাঁদপুর প্রতিনিধি
গাড়ি ভাংচুরসহ হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলার জামিন নামঞ্জুর করে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী হাজিরা দিতে গেলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মিলনের আইনজীবী মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে রওনা হয়ে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মহিলা আওয়ামী লীগের একটি সভায় ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর যোগদানের সময় পথিমধ্যে সাচারবাজার এলাকায় মিলন দলীয় লোকজনসহ হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে- এ অভিযোগ এনে কলিম উল্যাহ নামের স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করেন। মামলাটি অবশ্য ঘটনার ৬ বছর পর ২০০৯ সালের ৬ মে আদালতে দায়ের করা হয়। এতে মিলন ও তার স্ত্রী বিএনপি নেতা নাজমুন নাহার বেবীসহ ৩৪ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ১১ নভেম্বর মিলন হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের জামিন নিয়ে রাখলেও তা চাঁদপুরের আদালতে দেরিতে পৌঁছায় এবং চার্জশিট দাখিল হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ১৮ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এ মামলায় ২৬ জানুয়ারি মিলন ও তার স্ত্রী জামিন নেন। পরে এ মামলায় ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল।
বিস্তারিত »
A Correspondent, Chandpur
A Chandpur court yesterday sent former state minister for education ANM Ehsanul Haque Milon to jail in a case filed for vandalising a car of Awami League lawmaker Mohiuddin Khan Alamgir in 2003.
বিস্তারিত »
আবদুল আউয়াল রুবেল, চাঁদপুর থেকে: ভ্যানিটি ব্যাগসহ টাকা এবং স্বর্ণের নেকলেস ছিনতাই মামলায় জেলে গেলেন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন। গতকাল রোববার চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মিলনের আইনজীবীদের পৃথক এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার সুচিকিৎসা এবং জেলকোড অনুযায়ী ডিভিশনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছেন।
বিস্তারিত »
সমকাল প্রতিবেদক : সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার তার সরকারিবাসভবনের এসি, সোফা, টেবিলসহ মূল্যবান সরকারি সম্পদ ফেরত দেননি। এগুলোফেরত না পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংসদের কাছেসুপারিশ করা হয়েছে। তিনি তার সরকারি বাসভবনের জন্য আসবাবপত্র কিনতে ওগৃহসজ্জিত করতে ১২ লাখ টাকার ওপরে বাড়তি ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছিলেন। সাবেক স্পিকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটিররিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়েছে, সাবেক স্পিকার তার ২১ বেইলিরোডের বাসার জন্য বিভিন্ন দ্রব্য নেওয়ার পরও বুক ডেবিটের মাধ্যমে গণপূর্তবিভাগের মাধ্যমে আবারও ১২ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৪ টাকার আসবাবপত্র ও গৃহসজ্জিতকরার উপকরণ নিয়েছিলেন। পরে এসব মালামাল ফেরতের সময় সংসদের কেয়ারটেকারইউনিট একটি তালিকা তৈরি করে। তদন্ত কমিটি লক্ষ্য করেছে, স্পিকারের সরকারিবাড়িতে যেসব মালামাল সরবরাহ করা হয়েছিল তার সব ফেরত পাওয়া যায়নি। তদন্তকমিটির রিপোর্টে সে তালিকা সংযোজন করে সুপারিশে বলা হয়েছে, এগুলো ফেরত নাদিয়ে তিনি নৈতিকতাবিরোধী কাজ করেছেন। মূল্যবান এ সম্পদ ফেরত না দেওয়াআত্মসাতের শামিল। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আগে করণীয় হিসেবেসুপারিশে বলা হয়েছে, যেসব মালামাল তিনি ফেরত দেননি তা পুনরায় ফেরত চাওয়াবা তার সমপরিমাণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুরোধ করা যেতে পারে। সাবেক স্পিকারের ফেরত না দেওয়া সামগ্রীর তালিকায় রয়েছে একটি উইন্ডো টাইপএসি, ২ ও ৩ টনের দুটি স্পিল্গন্ট টাইপ এসি, কিং সাইজ খাট একটি, একটি ডাবলসাইজ আয়রনের খাট, তিন সেট সোফা, সেন্টার টেবিল ৬টি, একটি বড় সেক্রেটারিয়েটটেবিল ও রিভলবিং চেয়ার, হাতলওয়ালা গদির চেয়ার তিনটি, সাধারণ চেয়ার ৪টি, সেগুন কাঠের চারটি বুক শেলফ, সাইড কেবিনেট একটি, চেস্ট অব ড্রয়ার একটি, একটি হাজার ভিএ ভোল্টেজ স্টাবিলাইজার, একটি কম্পিউটার টেবিল এবং সঙ্গে ৬মিলিমিটার পুরু ৮ ফুট বাই ৪ ফুট প্লাস্টিক সিট, মাইক্রোওভেন একটি, ওভেনটেবিল একটি, ডিনার ওয়াগন দুটি, ব্লেন্ডার মেশিন দুটি, এয়ারপট একটি, ইলেকট্রিক কেটলি দুটি, টেবিল ল্যাম্প, রিচার্জেবল চার্জার ৭টি, কলিংবেল৫টি, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দুটি এবং বিভিন্ন সাইজের ১০টি করে মোট ৪০টি পাপশ।এছাড়াও দুটি কয়ার ফোম, ৪টি তোশক, চারটি চাদর, ৭টি বালিশ এবং ২২শ‘ বর্গফুটফ্লোর ম্যাট না পাওয়ার হিসাব দেওয়া হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের হিসাবের ভাউচার থেকে এসব আসবাবের কয়েকটির ক্রয়মূল্য পাওয়াগেছে_ কিং সাইজ খাটটির মূল্য ছিল ৭০ হাজার ৫শ‘ টাকা, ডাবল সাইজ খাট ২১হাজার ১৫০ টাকা, এক সেট এক্সক্লুসিভ সোফার দাম ছিল ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা, ৬সিটের সোফা দুই সেট ৭০ হাজার ৫শ‘ টাকা, সেন্টার টেবিল ৬টি মোট ৮ হাজারটাকা, ডিনার ওয়াগন ১৮ হাজার টাকা, সেগুন কাঠের বুক শেলফ প্রতিটির দাম ১৭হাজার ৬২৫ টাকা, চেস্ট অব ড্রয়ার ১২ হাজার ৯২৫ টাকা, সাইড কেবিনেট কাচসহ২১ হাজার ১৫০টাকা, সেক্রেটারিয়েট টেবিল ২৮ হাজার ২শ‘ টাকা। এছাড়াও হেভিডিউটির ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দুটির মূল্য ২৭ হাজার ৭১০ টাকা, টেবিল ল্যাম্পপ্রতিটি এক হাজার ৭৬২ টাকা ৫০ পয়সা। সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখানো হয়েছে, আগের স্পিকার আবদুল হামিদবাসভবনটি ছেড়ে দেওয়ার পর গণপূর্ত বিভাগ নিয়ম অনুযায়ী এর সংস্কার ওআনুষঙ্গিক আসবাব দিয়ে সজ্জিত করার কাজ সম্পন্ন করে। পরে স্পিকার হিসেবেজমিরউদ্দিন সরকারের চাহিদা অনুযায়ী ১২ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৪ টাকার নতুন আসবাবসরবরাহ করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, স্পিকার অ্যান্ড ডেপুটি স্পিকার (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ)অ্যাক্ট-এর ৮(১) ধারা অনুযায়ী স্পিকারের জন্য সরকারি খরচে একটি বাসভবনসজ্জিত ও রক্ষণাবেক্ষণের বিধান আছে। স্পিকার সরকারি বাসভবনে বসবাস না করলেবাসভবন সজ্জিতকরণ বাবদে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পান। সরকারি বাসভবনে থাকলেবাসভবন সজ্জিত করার দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের। এক্ষেত্রে কোনো আর্থিক সীমানেই এ অজুহাতে সোয়া ১২ লাখ টাকার ওপরে খরচ করে স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকারেরজন্য সরকারি বাসভবন সাজানো হয়েছিল।
সমকাল প্রতিবেদক : নিজ বাসায় খরচ করা বিদ্যুতের জন্য ১২টি আলাদা মিটারস্থাপনের নজিরবিহীন ব্যবস্থা ছিল সাবেক চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনেরবাসভবনে। সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০০২ সালের জুলাই থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ততৎকালীন চিফ হুইপের বাসভবনের ১২টি মিটারের বিদ্যুৎ বিলের টাকা সংসদসচিবালয় থেকে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকার পরও কোনো সন্তোষজনকব্যাখ্যা ছাড়াই সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও তৎকালীনসংসদ সচিব ওই মিটারগুলোর বিলের টাকা পরিশোধের ভাউচার অনুমোদন করেছেন। পরিবারের সদস্যদের প্রত্যেকের ব্যবহার করা বিদ্যুতের বিল তোলার জন্য একবাসভবনে ১২টি আলাদা বৈদ্যুতিক মিটারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, নাকি বেশিবিদ্যুৎ ব্যবহার করে বিল ফাঁকি দেওয়ার কৌশল হিসেবে সাবেক চিফ হুইপ এ ব্যবস্থা করেছিলেন তা এখনওস্পষ্ট নয়। পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এ ব্যবস্থার আড়ালে দুর্নীতি ছিল কি-না তাওখতিয়ে দেখা হয়নি। কমিটির পক্ষ থেকে সংসদে যে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা গেছে, সাবেক চিফ হুইপের স্ত্রী শাহেরা হোসেনের নামে একই ঠিকানায় ১২টি পৃথক হিসাবনম্বরে আলাদা আলাদা ১২টি মিটারের বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত সংসদ সচিবালয় থেকেতোলা হয়েছে। আরমানিটোলার ১০৩, শরৎচন্দ্র রোডের বাসভবনের ১২টি মিটারেবিদ্যুৎ বিল বাবদ সাবেক চিফ হুইপকে সংসদ সচিবালয় মোট ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৯৭টাকা ৫৭ পয়সা পরিশোধ করে। সাবেক চিফ হুইপ সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে নিজ বাসভবনে বসবাস করায়বাড়িভাড়াসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন বিলের টাকা তিনি সরকারের কাছথেকে পেতেন। ‘এস্টাবলিস্টমেন্ট ম্যানুয়েল (ভলিউম-২) ৭(৪)‘ অনুযায়ীমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্নদের এই খরচ সরকারিভাবেবহন করা হয়। সংসদ সচিবালয় চিফ হুইপের এই খরচ রাষ্ট্রীয় দায় হিসেবে পরিশোধকরে। সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিধিবহির্ভূতভাবে সাবেক চিফহুইপকে আবাসিক খাতে একই ঠিকানায় ১২টি মিটারের বিদ্যুৎ বিল সংসদ থেকেপরিশোধ করে সরকারি অর্থ অপচয় করা হয়েছে। একটি বাদে ১১টি বিলের অর্থ সরকারিকোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য তাকে অনুরোধ করতে হবে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলেও তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে।
সমকাল প্রতিবেদক : সাবেক চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বাসভবনেরান্না হতো ক‘টি রান্নাঘরে? প্রতি মাসে তার বাসভবনের মোট ৮টি চুলার গ্যাসবিলের টাকা সংসদসচিবালয় থেকে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি আবার ডাবল বার্নার। অর্থাৎ সবমিলিয়ে সাবেক চিফ হুইপের বাসায় মোট ১৪টি চুলায় রান্না হতো। এর কোনোসন্তোষজনক ব্যাখ্যা ছাড়াই সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ওতৎকালীন সংসদ সচিব বিগত অষ্টম সংসদের মেয়াদকালে চিফ হুইপের বাসভবনের গ্যাসবিলের টাকা পরিশোধের ভাউচার অনুমোদন করেন। সাবেক স্পিকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে এতথ্য পাওয়া গেছে। সাবেক চিফ হুইপ সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে নিজ বাসভবনেবসবাস করেছেন। আরমানিটোলার ১০৩ শরৎচন্দ্র রোডের নিজস্ব বাসভবনে বসবাস করায়তিনি সরকারিভাবে বাড়ি ভাড়া, ভাতাসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন বিলবাবদ খরচের টাকা পেতেন। ‘এস্টাবলিস্টমেন্ট ম্যানুয়াল (ভলিউম-২) ৭(৪)‘ অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্নদের এই খরচসরকারিভাবে বহন করা হয়। খোন্দকার দেলোয়ারের বিদ্যুৎ বিলের মিটার ছিল স্ত্রী শাহেরা হোসেনের নামে।তিনি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডেরগ্যাস বিল পরিশোধের যে বিল ভাউচার সংসদ সচিবালয়ে দাখিল করতেন, তা ছিলনিজের নামে। এতে ২টি সিঙ্গেল বার্নার এবং ৬টি ডাবল বার্নার চুলার গ্যাসবিল সঠিক বলে সহকারী একান্ত সচিব সিএম মনিরুজ্জামান বিশ্বাস প্রত্যয়নকরতেন। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিধিবহির্ভূতভাবে সাবেক চিফ হুইপকেআবাসিক খাতে একই ঠিকানায় ৮টি চুলার গ্যাসের বিল সংসদ থেকে পরিশোধ করেসরকারি অর্থ অপচয় করা হয়েছে। এ জন্য তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণকরা যেতে পারে বলেও সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
আদালত প্রতিবেদক
পাঁচ সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, মির্জা আব্বাস, মীর নাছিরউদ্দিন, মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও রুহুল কুদ্দুস দুলু এবং সাবেক সাংসদ মোসাদ্দেক আলী ফালুকে পৃথক দুর্নীতির মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গতকাল বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মামনুন রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ পৃথক দুর্নীতির মামলায় জামিনের এ আদেশ দেন।
গতকাল ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে এক লাখ টাকা চাঁদাবাজি, মোবাইল চুরি ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নামে অবৈধভাবে জমি বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় জামিনের আদেশ দেন আদালত।
বিস্তারিত »
পোষ্ট করা হয়েছে সেপ্টেম্বর 11, 2008 তারিখে মন্তব্য(0)
যুগান্তর রিপোর্ট
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমীর সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ ৬ জনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আখতার হামিদ পবনের হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত করেননি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। ২৮ আগস্ট সুপ্রিমকোর্টের ফুল বেঞ্চে হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের আপিল আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। তবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্ট আরও যাদের জামিন দিয়েছেন তারা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর স্ত্রী সিগমা হুদা ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন।
জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না এ ব্যাপারে একটি রুল দিয়েছেন আদালত। আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বেগম জিয়ার কৌঁসুলি বিশিষ্ট আইনজীবী খন্দকার মাহবুবউদ্দিন আহমাদ বলেন, এটি একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়া যেসব কাজ করেছেন, তাতে কোন ভুল করেননি। তাই এ ব্যাপারে মামলা চলতে পারে না।
বিস্তারিত »