ইউনিজয় English

'চোরাচালান' ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভুক্ত নিউজসমূহ

আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায়ও শোন অ্যারেস্ট হতে পারেন বাবর?

top21.jpg
তপন চক্রবর্তী:

চাঞ্চল্যকর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পর চট্টগ্রামের আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায়ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের উদ্যোগ নিতে পারে সিআইডি। তৎকালীন সময়ে এ বিপুল অস্ত্রচালান আটকের ঘটনায় সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন জড়িয়ে যাওয়ার পেছনে সেই সময়ের প্রভাবশালীদের হাত ছিল বলে ধারণা করছে তদন্ত সংস্থা। এ জন্য সন্দেহের তীর প্রথমেই গিয়ে ঠেকেছে বাবরের ওপর। উচ্চমহলের গ্রিন সিগন্যাল পেলেই শিগগির বাবরকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নেয়া হবে। খবর দায়িত্বশীল সূত্রের। বিস্তারিত »

আন্ডারওয়ার্ল্ডের ‘মহাগুরু’ বাবর

যুগান্তর রিপোর্ট
শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গোয়েন্দাদের বলেছে, আমরা কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করি না, বিশ্বাসঘাতক হলেন লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনিই সন্ত্রাসীদের মানুষ হত্যার নির্দেশ দেন। আবার তিনিই সন্ত্রাসীদের ক্রসফায়ারে ফেলার ব্যবস্থা করেন। ইমন পুলিশকে বলেছে, বাবর একজন প্রতারক। তিনিই আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সন্ত্রাসী। তিনিই ছিলেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের ‘মহাগুরু’। তার ক্যাডার বাহিনী এখন আমেরিকা থেকে শুরু করে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কলকাতাসহ বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সূত্র জানায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন প্রথম দফার রিমান্ডের ৮ দিনে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। আজই তাকে এসব বিষয়ে টাস্কফোর্স ইন্টারন্যাশনাল সেলে (টিএফআই) ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ইমনের মুখ থেকে জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা ভয়ংকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। সূত্র জানায়, ভারতে বসেই জোট সরকারের এই প্রতিমন্ত্রীর কল্যাণে সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশ সরকারের সব সিদ্ধান্ত জেনে যেত। আন্ডারওয়ার্ল্ড অশান্ত হয়ে উঠত বাবরের নির্দেশেই। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী বাবরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়টি আবারও সামনে চলে এসেছে। বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে দেখা যায়, হেন কোন অপরাধ-অপকর্ম নেই যা বাবর করেননি। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ও হাওয়া ভবনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত সাবেক প্রতিমন্ত্রী বাবর তার ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবসায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদসহ এমন কেউ নেই যার ওপর তিনি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেননি। নিজের স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করেছেন। আবার সেই পুলিশকেই ফাঁদে ফেলে গ্রেফতার করিয়েছেন। বিস্তারিত »

BNP leader, 4 others held with smuggled Indian jute seeds

Our Correspondent, Gaibandha

Rapid Action Battalion (Rab) arrested five people including a BNP leader in Gobindagnaj upazila and recovered 247 sacks of banned Indian jute seeds worth about Tk 12 lakh from different go-downs possessed by them.

Acting on a tip-off, Rab caught Gobindaganj Pourashava BNP secretary Sanowar Hossain Dipu from his business place at Gobindaganj with inferior quality Indian jute seeds on Saturday. বিস্তারিত »

ঘুষের সাজানো মামলাটি এখন বুমেরাং হচ্ছে বাবরের জন্য

08-01-08.jpg
bhorerkagoj_logo
অন্যায় নির্দেশ না মানায় ফাঁসানো হয় এসপি বাতেনকে
কামরুজ্জামান খান : ‘সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর রুমে ঢুকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসপি আঃ বাতেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ঘুষ দিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন’ এমন সাজানো মামলার ফাঁদে নিজেই ফেঁসে যাচ্ছেন জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। বাবর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে তার একাধিক চোরাচালান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এই বাতেন একাধিক স্পর্শকাতর মামলায় বাবরের ‘অন্যায় নির্দেশ’ পালন না করার কারণেই ‘ঘুষের সাজানো মামলায়’ তাকে শায়েস্তা করা হয় বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে তথ্যপ্রমাণ মিলতে শুরু করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তাধীন এই মামলার বাদী বাবরের পিএস কামরুজ্জামান চৌধুরী ইতিমধ্যেই তার অভিযোগ ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মামলার সাক্ষী বাবরের বক্তব্য বুমেরাং হতে চলেছে। বিস্তারিত »

আমীর খসরু, শাহ আলমসহ ১০ জনের মালামাল আটক, সাজানো নিলামে ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বিক্রির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮টি সরকারি বাড়ি সাজানো নিলামে বিক্রির মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলমসহ ১০ জনের অস্থাবর মালামাল আটক (ক্রোক) করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকাল থেকে গুলশান থানার একাধিক দল অভিযানে নেমে তাঁদের মালামাল আটক করে। তবে পরোয়ানা তামিলের খবর শুনে আগেই বেশির ভাগ বাড়ি থেকে মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়। আসামিদের পরিবারের কোনো সদস্যকেও এ সময় পাওয়া যায়নি। গুলশান থানা পুলিশ জানায়, গত ২৯ মার্চ মতিঝিল থানায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. শফিউল আলম এ মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, মির্জা আব্বাসসহ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশের মাধ্যমে রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী ও নিউ ইস্কাটন এলাকার ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বিনা দরপত্রে বিক্রি করেছেন। প্রকৃত বাজারদরের চেয়ে অস্বাভাবিক কম দামে এসব বাড়ি বিক্রি করা হয়। এই দুর্নীতির ফলে রাষ্ট্রের মোট ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিস্তারিত »

এরশাদের স্বর্ণ চোরাচালান মামলার রায় ৬ সেপ্টেম্বর

bhorerkagoj_logo

দিনের শেষে প্রতিবেদক : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা স্বর্ণ চোরাচালান মামলার রায় ৬ সেপ্টেম্বর৷ ৮ সাৰীর সাৰ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোঃ আবুল বাশার আজ এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন৷ এর আগে পাজেরো গাড়িতে এইচ এম এরশাদ আদালতে হাজির হন৷ রায়ের তারিখ ঘোষণার পর এরশাদের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এরশাদ স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কেউ এ ধরনের সাক্ষ্য দেয়নি৷ উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালের ১৭ জুলাই স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগ এনে গোয়েন্দা কর্মকর্তা মোঃ জাকারিয়া বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন৷

তথ্যসূত্র: ভোরের কাগজ, ১৪ আগস্ট, ২০০৭

চট্টগ্রামে বিএনপির সাবেক সাংসদ সরওয়ার জামাল নিজাম গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
বিএনপির সাবেক সাংসদ সরওয়ার জামাল নিজামকে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগরীর চিটাগাং ক্লাবের সামনে থেকে যৌথ বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। তাঁকে জরুরি ক্ষমতা অধ্যাদেশ-২০০৭-এর বিধিমালায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট আটকাদেশ দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে মিয়ানমারে সার পাচার, সমুদ্রে চোরাচালান, টেন্ডারবাজি, প্রশাসনে অবৈধ হস্তক্ষেপ, ১০ ট্রাক অস্ত্র খালাসে সহায়তাসহ বিভিন্ন অভিযোগে সরওয়ার জামাল নিজামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া চট্টগ্রাম-১২ (আনোয়ারা-পশ্চিম পটিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপিদলীয় সাবেক সাংসদ সরওয়ার জামাল নিজামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী জামালউদ্দিন হত্যাকারীদেরও মদদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই মামলার একাধিক আসামি জামালউদ্দিনের হত্যার সঙ্গে তাঁর ভাই মারুফ নিজামের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যৌথ বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও টাস্কফোর্স সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে মিয়ানমারে সার পাচার, ১০ ট্রাক অস্ত্র খালাসে সহায়তা দেওয়া ও জামালউদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন সরওয়ার জামাল নিজাম। দেশ-বিদেশে তাঁর স্বনামে-বেনামে বিপুল সম্পত্তি থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে ১৯৯৬ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি বেশির ভাগ সম্পত্তির মালিক হন বলে দাবি করেন।

যাব চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘যৌথ বাহিনী সরওয়ার জামাল নিজামকে গ্রেপ্তার করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর গাড়ি থেকে মদ পাওয়া গেছে, যে কারণে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আর জামালউদ্দিন হত্যাকাণ্ড, সার পাচার, চোরাচালান, ১০ ট্রাক অস্ত্র খালাসে সহায়তা দেওয়া, টেন্ডারবাজি, প্রশাসনে অবৈধ হস্তক্ষেপ ও বিপুল সম্পদের মালিক হওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।’

জরুরি অবস্থা জারি হওয়ার পর চট্টগ্রামে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে একমাত্র সরওয়ার জামাল নিজামই গ্রেপ্তার হলেন। অবশ্য চিকিৎসার জন্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান, সাবেক মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান এবং সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম দেশের বাইরে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। কয়েক দিন আগেও সরওয়ার জামাল নিজামের ভাই মারুফ নিজামকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালিয়েছিল যৌথ বাহিনী। এরপর মারুফ গা-ঢাকা দেন।

অভিযানে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা চিটাগাং ক্লাবের আশপাশে অবস্থান নেন। এ সময় সরওয়ার জামালের গাড়ির (নম্বর চট্ট-মেট্রো গ-১১-০০৫) চালক মো. মামুনুর রশীদ যৌথ বাহিনীর সদস্যদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। অবশ্য গাড়িটি জব্দ ও চালক মামুনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে একটার দিকে সরওয়ার জামাল নিজাম ক্লাব থেকে বেরিয়ে আসার সময় ধরা পড়েন। পরে তাঁর গাড়ি তল্লাশি করে মদ ও বিয়ার পাওয়া যায়।
যৌথ বাহিনী পরে তাঁর নাসিরাবাদের বাসায় রাত তিনটা পর্যন্ত ব্যাপক তল্লাশি চালায়। অবশ্য ওই বাড়িতে কিছু পাওয়া যায়নি।

জিজ্ঞাসাবাদে সরওয়ার নিজাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানান, চট্টগ্রামের অভিজাত এলাকা খুলশিতে পাঁচ কাঠা, হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালসংলগ্ন এলাকায় ১০ কাঠা, ঢাকার গুলশানে সাড়ে সাত কাঠা জমি রয়েছে তাঁর। এ ছাড়া দুটি গার্মেন্টস কারখানা, একটি সিকিউরিটি ফার্ম, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার দুটি ট্রলার, চারটি বিলাসবহুল গাড়ি থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।

গোয়েন্দা ওর্ যাব সূত্র জানায়, জোট সরকারের আমলে মিয়ানমারে বেশির ভাগ সার পাচার হয়েছিল তাঁর গঠিত চোরাচালান সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। আনোয়ারা সমুদ্র উপকূলের নিয়ন্ত্রণও ছিল তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিলে তিনি আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) বদলি করে দিতেন। তাঁর কাজে বাধা দেওয়ায় ২০০৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট পর্যন্ত আনোয়ারা থানার ছয়জন ওসি বদল হয়। সব ওসি একপ্রকার নাজেহাল হয়ে আনোয়ারা থানা ছাড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আনোয়ারার ডাকাতসর্দার মরতুজা আলী ও ইসলাম ডাকাত ক্রসফায়ারে নিহত হন। এতে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি ঘটে। ক্রসফায়ারের এই ঘটনায় তৎকালীন ওসি এ কে এম মাখফারুল ইসলামকে ভর্ৎসনা করেন সাবেক সাংসদ নিজাম। তাঁর বিরোধিতার কারণে ওসি মাখফারুল পাঁচ মাসের বেশি (২০০৬ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২১ আগস্ট) আনোয়ারায় থাকতে পারেননি। এর আগের ওসি ভুঁইয়া মাহবুব হাসান (২০০৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ) আনোয়ারায় ডাকাতবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে বেকায়দায় পড়েন। তাই ওসি মাহবুবকেও বিদায় নিতে হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, ‘আমাকে ঘায়েল করতেই প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি প্রশাসনে অবৈধ হস্তক্ষেপ করিনি। আর বিগত জোট সরকারের আমলে সাংসদ থাকাকালে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার দুটি ট্রলারের মালিক হই আমি। এ ছাড়া ১৯৯৬ সালে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার আগেই আমি অন্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়েছি।’

১০ ট্রাক অস্ত্র খালাসে সহায়তার ব্যাপারে জনাব নিজাম বলেন, ‘অস্ত্র খালাসের ঘটনাটি আমি জেনেছি দুই-তিন দিন পর। কারা এসব অস্ত্র এনেছে তা আমি কী করে বলব?’ উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের সার কারখানা ও যে ঘাটে অস্ত্র খালাস হয়েছিল, তা তাঁর নির্বাচনী এলাকার মধ্যে পড়েছে।

আমাদের আনোয়ারা প্রতিনিধি জানান, সরওয়ার নিজামের গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন শাহ মিরপুর, শিকলবাহা বোর্ডবাজার, দারোগাহাট, জয়কালীহাট, বারশত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, গহিরা এবং নিহত বিএনপি নেতা জামালউদ্দিনের গ্রামের বাড়ি জিওরি হাজিরহাটে গতকাল শুক্রবার মিষ্টি বিতরণ করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনকে উল্লাস করতে দেখা যায়।

এদিকে সরওয়ার নিজামের গ্রেপ্তারের খবর শুনে তাঁর অনুগত আনোয়ারার সাত ইউপি চেয়ারম্যান গা-ঢাকা দিয়েছেন।

Source: http://www.prothom-alo.com/archive/news_details_home.php?dt=2007-06-23&issue_id=289&nid=Nzk3NA==

সোনা চোরাচালান মামলা

এরশাদ হাজির না থাকায় পঞ্চমবার রায় পেছাল
palo_logo.gif
আদালত প্রতিবেদক
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা বহুল আলোচিত সোনা চোরাচালান মামলার রায় ঘোষণার তারিখ পঞ্চমবারের মতো পিছিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার ওই মামলার রায় ঘোষণার কথা ছিল। রায়ের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ জুন।

এইচ এম এরশাদ অসুস্থ থাকায় গতকাল আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ অবস্থায় তাঁর আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম রায় ঘোষণার জন্য সময় চান। ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক এস এম মজিবুর রহমান সময় মঞ্জুর করেন। এর আগে চারবার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও বিভিন্ন কারণে রায় ঘোষণা করা হয়নি। বিস্তারিত »

Litany Of Allegations Salauddin Quader Chowdhury

Holding sway down to the grubby politics at the grassroots from the top rung of power, Salauddin Quader Chowdhury has allegedly been involved in numerous crimes ranging from the bloody genocide of 1971 to gunrunning to murder and extortion. He was the parliamentary affairs adviser to the immediate past prime minister, Khaleda Zia. He had served as a minister during the despotic rule of Ershad. বিস্তারিত »

বাগেরহাটের মূর্তিমান আতংক আদম বেপারী সেলিম ডাকুয়া

Jugantor_logo

যুগান্তর রিপোর্ট
আদম ব্যবসার নামে কোটি কোটি টাকার দূনীতি, বাগেরহাটের টেন্ডারবাজি, সরকারি খাস জমি দখল, পতিপক্ষের ওপর নির্যাতন এবং বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দেয়ার মাধ্যমে বিএনপির সাবেক এমপি এমএইচ সেলিম মূর্তিমান আতংকে পরিনত হয়েছে। মালয়শিয়ার জনশক্তি রফপ্তানি কেলেংকারি প্রধান হোতা এই সেলিম ক্ষমতার দাপটে দেশের সাত শতাধিক রিক্রুটিং এজেন্সি জিম্মি হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে তার হাতে গড়া সন্ত্রাসী বাহিনীর অবিশ্বাস্য প্রতাপ ও নানা কুকীর্তিতে বাগেরহাটের মানুষের জীবন দূর্বিসহ হয়েছে। বাগেরহাটের সংখ্যা লঘু পরিবারসহ সাধারণ নিরীহ মানুষের কাছে তিনি চাঁদাবাজ, দখলবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি ও ভয়ংকর দানব হিসাবে পরিচিত। বাগেরহাট ও খুলনার মানুষ স্বাধীনতার পর এত ক্ষমতাধর ও এত অল্প সময়ে বিত্তবৈভবের মালিক হতে আর কাউকে দেখেনি। সন্ত্রাসীদের গডফাদার ও বড় ভাই হিসাবে পরিচিত ডাকুয়া পরিবারের সম্মান সেলিম সত্যিকার অর্থেই ‘ডাকুয়া’ হিসাবে কুখ্যাত হয়েছেন। বিস্তারিত »