ইউনিজয় English

'খুন' ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভুক্ত নিউজসমূহ

নিজামী মুজাহিদ সাঈদী ১৬ দিনের রিমান্ডে

01-07-10.jpg
Jugantor_logo
যুগান্তর রিপোর্ট
নিজামী, মুজাহিদ ও সাঈদীকে রাজধানীর ৫টি থানায় দায়ের হওয়া পৃথক ৫ মামলায় ১৬ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার অভিযুক্তদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে ওইসব থানার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোট ৪৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে ঢাকার বিভিন্ন মহানগর হাকিম আদালত ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়া যে মামলার ওয়ারেন্ট বলে অভিযুক্তদের মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছিল সে মামলায় আদালত নিজামী, মুজাহিদ ও সাঈদীকে জামিন দিয়েছেন। আর পল্লবী ও কেরানীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া পৃথক দুটি হত্যা মামলায় নিজামী-মুজাহিদকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া রাজশাহীর মতিহার থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় ওই তিনজনকে এবং মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে পিরোজপুরে দায়ের হওয়া যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এদিকে ৫ মামলায় ১৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলেও গ্রেফতারকৃত শীর্ষ ৩ জামায়াত নেতাকে বুধবার রিমান্ডে নেয়া হয়নি। কোন মামলায় প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে না পারায় রাত পৌনে ৮টার দিকে তাদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এর আগে বুধবার বিকালে জামায়াতে ইসলামীর ওই তিন শীর্ষ নেতাকে কঠোর পুলিশি প্রহরায় ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। জামায়াতের শীর্ষ ৩ নেতাকে হাজির করার খবরে বুধবার সকাল থেকেই ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।
 জামায়াত সমর্থিত আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই আদালত অঙ্গনে ভিড় করতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে আদালত অঙ্গনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশ জামায়াতের নেতাকর্মীদের আদালতের বাইরে জনসন রোডে পাঠিয়ে দেয়। এরপরও তারা বিভিন্নভাবে পুলিশকে কাজে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সংবাদকর্মীরা দিনভর আদালত অঙ্গনে অপেক্ষা করতে থাকেন। কোর্ট রিপোর্টার জানান, বিকাল সোয়া ৪টায় নিজামী, মুজাহিদ ও সাঈদীকে কড়া পুলিশি প্রহরায় প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। এর পরই তাদের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে নেয়া হয়। সেখানে পল্টন থানায় পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে ফেব্রুয়ারি এবং জুন মাসে দায়ের হওয়া পৃথক তিন মামলায় নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে মোট ৩০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন পল্টন থানার সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা। অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে এসময় জামায়াতের আইনজীবীরা ছাড়াও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সানাউল্লাহ মিয়া অভিযুক্তদের রিমান্ড বাতিল করে জামিন চান। জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন মশিউল আলম, আবদুর রাজ্জাক, আশরাফুল ইসলাম, আক্তারুজ্জামান সোহেল প্রমুখ আইনজীবী। তারা আদালতকে বলেন, অভিযুক্তরা এসব মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। এজাহারে তাদের নামও নেই। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য তাদের একটি জামিনযোগ্য মামলায় গ্রেফতার করে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে এবং রিমান্ড চাওয়া হচ্ছে। আদালতে এসময় রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ আবদুল্লাহ আবু, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আঃ মান্নান, মোখলেসুর রহমান বাদল, আবদুর রহমান হাওলাদার প্রমুখ আইনজীবী অভিযুক্তদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সপক্ষে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, অভিযুক্তদের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির যাতায়াতের পথে কর্তব্যরত পুলিশের কাজেও কর্মীরা বাধা সৃষ্টি করেছে। এসময় শুনানি শেষে হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইন প্রত্যেকটি মামলায় নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদীকে তিন দিন করে মোট ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে একটি মামলায় রিমান্ডের পর আরেকটি মামলার রিমান্ড কার্যকর হবে বলে হাকিম তার আদেশে উল্লেখ করেন।

এরপর একই আদালতে উত্তরা থানায় গত মার্চ মাসে দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার বাদী উত্তরা থানার এসআই সেলিম হোসেন রিমান্ড আবেদনে আদালতকে জানান, গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কে ৪৫ নম্বর বাসায় বসে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করাসহ দেশে বিশৃংখলা সৃষ্টি এবং নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে দেশের গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করেন। তাদের কর্মীদের তারা এ ব্যাপারে পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন। পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করে। রিমান্ড আবেদনে জানানো হয়, এর আগে গ্রেফতারকৃত আসামিরা চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সফরকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির কর্মীদের নিয়ে একটি গোপন বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আধিপত্য বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালানোর সময় সর্ব্তাক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেয়া হয়। এর এক দিন পরই ৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংস ঘটনা ঘটে। তাদের নির্দেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলে শিবির ক্যাডাররা ছাত্রলীগ কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা ছাত্রলীগ কর্মী ফারুককে নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ ম্যানহোলে ফেলে দেয়। চাঞ্চল্যকর ওই মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতারকৃত এজাহারনামীয় আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আবেদনে বলা হয়, উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের ৪৫ নম্বর বাসায় অভিযুক্তদের নির্দেশে অন্য আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী বৈঠকে বসে ষড়যন্ত্র করে। তাই ওই বৈঠকের কারণ ও সহযোগীদের বিষয়ে জানার জন্য তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। হাকিম ইসমাইল হোসেন উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর একই এজলাসে বসেন হাকিম এসকে তোফায়েল হাসান। সেখানে প্রথম ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার ঘটনায় তরিকত ফেডারেশন সভাপতি রেজাউল ইসলাম চাঁদপুরীর মামলায় আইনজীবীরা অভিযুক্তদের জন্য জামিন চান। তারা বলেন, মামলার ধারাগুলো যেহেতু জামিনযোগ্য তাই অভিযুক্তরা জামিন পেতে হকদার। হাকিম আবেদন মঞ্জুর করে তাদের ৫০ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন দেন। একই হাকিমের কাছে গত রোববার হরতালের আগের রাতে রমনা এলাকায় গাড়ি ভাংচুর ও পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিকে আদালতে শুনানির সময় বারবার রাষ্ট্রপক্ষ ও অভিযুক্তদের আইনজীবীরা বিবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

লোহার খাঁচায় নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদী : নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদীকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইনের এজলাসের পাশে লোহার খাঁচায় এনে রাখা হয়। আদালতে শুনানির প্রায় দেড়ঘন্টা তারা সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে আইনজীবীদের বক্তব্য শোনেন। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শুনানি শেষে তাদের কোর্ট হাজতখানায় নিয়ে রাখা হয়। কোন মামলার রিমান্ডে প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে সে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় রাত পৌনে ৮টার দিকে তাদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ১ জুলাই ২০১০

ফারুক হত্যামামলায় জামায়াতে ৩ নেতাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

top22.jpg
আফজাল হোসেন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যামামলায় জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ও নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে, ফারুক হত্যাকান্ডের অভিযোগে মতিহার থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জামায়াত নেতাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। বিস্তারিত »

পিলখানায় হত্যাযজ্ঞ

palo_logo.gif
নাসির উদ্দীন পিন্টুর জামিন স্থগিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
পিলখানায় হত্যাযজ্ঞ মামলায় বিএনপির সাবেক সাংসদ নাসির উদ্দীন আহম্মেদ পিন্টুর জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের কার্যকরতা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ সময়ের মধ্যে সরকারপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়ের করতে বলা হয়েছে। বিস্তারিত »

হত্যা লুন্ঠন মামলায় জামিন পাননি সাঈদী

Ittefaq_logo
একাত্তরে অপরাধ সংক্রান্ত মামলায় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ব্যাহত হয় এমন আদেশ দেয়া যাবে নাঃ হাইকোর্ট

০ ইত্তেফাক রিপোর্ট

১৯৭১ সালে হত্যা, লুন্ঠন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। পরে আদালত জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেয়। বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা ও বিচারপতি জেবিএম হাসানকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ প্রদান করেন। তবে হাইকোর্ট বলেছে, ইতিপূর্বে আমরা এ ধরনের মামলায় আগাম জামিন দিয়েছি। কিন্তু এখন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য সরকার ট্রাইব্যুনাল ও তদন্তকারী সংস্থা গঠন করেছে। অপরাধের বিচারের কাজ শুরম্ন হয়েছে। এই অবস্থায় তাকে (সাঈদী) আগাম জামিন দেয়া ঠিক হবে না। এ মুহূর্তে এমন কোন আদেশ বা নির্দেশ দেয়াও ঠিক হবে না, যা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ব্যাহত করবে। বিস্তারিত »

কিবরিয়া হত্যা মামলা

shomokal.jpg
বাবরের জামিন নামঞ্জুর
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের জামিনের আবেদন দায়রা জজ আদালত নামঞ্জুর করেছেন। ১ মার্চ বাবরের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা । গতকাল আবেদনের শুনানি শেষে দায়রা জজ মাহবুবুল হক এ আবেদন নামঞ্জুর করেন। ১১ ও ২২ মার্চ শুনানির কথা থাকলেও হয়নি। বিস্তারিত »

বাবরের জামিন নামঞ্জুর

palo_logo.gif
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি |
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের জামিন নামঞ্জুর করেছেন হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। গতকাল বুধবার বিকেলে বিচারক মুহম্মদ মাহবুব-উল-আলম এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালতে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁর পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন জানানো হয়। তাঁর আইনজীবী সালেহ আহমেদ চৌধুরী এ জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন পিপি আকবর হোসেইন। বিস্তারিত »

কিবরিয়া হত্যামামলায় হবিগঞ্জ দায়রা আদালতে বাবরের জামিন আবেদন নাকচ

top22.jpg
রুহুল হাসান শরীফ হ হবিগঞ্জ থেকে: সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যামামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন হবিগঞ্জ দায়রা জজ আদালত। গতকাল বুধবার শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন। বিস্তারিত »

কিবরিয়া হত্যা মামলা : বাবর ৫ দিনের রিমান্ডে

15-03-101.jpg
Jugantor_logo
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় নিহত সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে আবারও ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে সিআইডি পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র এএসপি রফিকুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সামছুল ইসলাম শুনানি শেষে রোববার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশে বাবরকে ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি পুলিশ। ২ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কিবরিয়া হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে গ্রেফতার দেখানো হয়। বিস্তারিত »

কিবরিয়া হত্যা মামলায় বাবর আবার রিম্যাণ্ডে

Ittefaq_logo
হবিগঞ্জ সংবাদ দাতা

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে আবার ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে সিআইডি পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি রফিকুল ইসলামের আবেদনের প্রেৰিতে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সামছুল ইসলাম শুনানি শেষে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল রবিবার বিকাল কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বাবরকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে নেয়া হয়। বিস্তারিত »

Kibria Killing Case

dailystar_logo
Babar placed on five-day remand
Staff Correspondent, Sylhet
A Judicial magistrate of Habiganj yesterday placed former state minister Lutfuzzaman Babar on a five-day remand in connection with the case for killing former finance minister SAMS Kibria and four others. বিস্তারিত »

পরবর্তী পৃষ্ঠা »