ইউনিজয় English

'আমার দেশ' ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভুক্ত নিউজসমূহ

মইনের স্বজনদের দূর্নীতি।

রাজশাহীতে সাবেক ২ মন্ত্রী ও সাংসদসহ ৭০ জেএমবি ক্যাডারের বিরুদ্ধে মামলা

Jugantor_logo
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ বুধবার জঙ্গি মদদ ও চাঁদার দাবিতে মারধরের অভিযোগে চারদলীয় জোট সরকারের দুই মন্ত্রী, এমপিসহ জেএমবির ৭০ ক্যাডারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বাগমারা উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আবেদ আলী মেম্বার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শীশ মোহাম্মদ, সাবেক সাংসদ নাদিম মোস্তফা, সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বাগমারার বিহানালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, বাসুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেশারতুল্লাহ, অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও আবদুস সাত্তার বিএসসিসহ আসামিদের অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও নির্দেশ মোতাবেক আসামি জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সক্রিয় সন্ত্রাসী ক্যাডাররা ২০০৪ সালের ১৩ এপ্রিল সকালে সশস্ত্র অবস্থায় হাতে লাঠি, লোহার রড, হকিস্টিক, লম্বা ধারালো হাসুয়া, পিস্তল, বন্দুক প্রভৃতি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ও বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে স্লোগান দিয়ে বাদীর বাড়ি ঘিরে ফেলে। আসামি আবদুল মান্নান বাদীকে বাইরে ডাকলে বাদী বাইরে না আসায় তারা জোরপূর্বক বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং আসবাবপত্র ভাংচুর ও তছনছ করে। আসামি কিলার মোস্তাক ও মোরশেদ বাদীর দিকে বন্দুক তাক করে ধরে থাকে। আসামি সোবহানের হুকুমে ছামসউদ্দিন, মান্নান, আজাহার, মজিবর, কিলার মোস্তাক সবাই ধরাধরি করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাদীকে তাদের ব্যবহূত গাড়িতে করে হামিরকুৎসার রমজান কায়ার বাড়িতে স্থাপিত জেএমবির টর্চার ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে সব আসামি মিলে পরামর্শ শেষে কিলার মোস্তাক তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বিস্তারিত »

দুদক চেয়ারম্যানের স্বীকারোক্তি : বাড়ির নকশাবহির্ভূত কাজ বৈধ করতে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছি, অনৈতিক কাজ করিনি। ট্রাষ্ট ব্যাংকের লোকসানে রাষ্ট্রের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। চেয়ারম্যান হিসেবে আমি কতটুকু দায়ী, দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ সত্য নয়

hd.jpg
amardesh_new_logo_1.gif
ষ্টাফ রিপোর্টার - ২০০৮-১০-২৭
দু র্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী স্বীকার করে নিয়েছেন, তিনি সেনাপ্রধান থাকাকালেই তার নেতৃত্বে একটি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিওএইচএস এলাকার নকশাবহির্ভূত বাড়িগুলোকে জরিমানা দিয়ে বৈধ করে নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। তিনি নিজেও তার মহাখালী ডিওএইচএসের ২১ নম্বর সড়কের ৩২০ নম্বর বাড়িটির নকশাবহির্ভূত কাজ প্রায় আড়াই লাখ টাকার মতো জরিমানা দিয়ে বৈধ করেছেন। এছাড়া ্রাষ্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে বৈদেশিক লেনদেনে রাষ্ট্রের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি। তবে এর দায়দায়িত্ব ব্যাংকের এমডি ও অন্য কর্মকর্তাদের উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, চেয়ারম্যান হিসেবে আমি কতটুকু দায়ী তা দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। দৈনিক আমার দেশ-এ গত শনিবার ডিওএইচএসের বাড়িগুলো নিয়ে অনুসন্ধানী মূলক প্রতিবেদন ছাপার পর গতকাল অপরাহেߠদুদক কার্যালয় থেকে ফিরতি টেলিফোন করে আমার দেশ প্রতিনিধির কাছে লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী তার বক্তব্য তুলে ধরেন। পরে বিকালে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে ডিওএইচএস এলাকার বাড়ি নিয়ে অভিযোগ ও ২০০২ সালে সেনাপ্রধান হিসেবে ট্রাষ্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকার সময় ফরেন কারেন্সি লেনদেনে ক্ষতির নামে ২০ কোটিরও বেশি পরিমাণ টাকা অপচয় ও পাচার করে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধের অভিযোগের ব্যাপারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

দ্বিতীয় অভিযোগটি এনেছিলেন সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা এবং আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান। এ নিয়ে শনিবার তিনি রমনা ও মতিঝিল থানায় অভিযোগ করতে গেলেও থানা দুটি তার অভিযোগ গ্রহণ করেনি। বিস্তারিত »

দুদক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিল না পুলিশ : মাহমুদুর রহমানের আর্জি ছিল তার মানি লন্ডারিংয়ের তদন্ত হোক

hdd.gif
amardesh_new_logo_11.gif
বিশেষ প্রতিনিধি - ২০০৮-১০-২৬
ট্রাস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে তৎকালীন সেনাপ্রধান ও বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যাংকের প্রায় ২০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ক্ষতি হওয়ার নামে বিদেশে পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ও আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান।

দুদক আইনে তদন্তের জন্য তিনি গতকাল রমনা ও মতিঝিল দুটি থানায় এই মর্মে অভিযোগ দাখিল করতে যান। কিন্তু কোনোখানেই পুলিশ তার এই আর্জি গ্রহণ করেনি। মাহমুদুর রহমান নিজে ও তার সঙ্গে থাকা আইনজীবীরা পুলিশকে সংশ্লিষ্ট আইনগুলো দেখালেও পুলিশ অভিযোগটি রেজিষ্ট্রি পর্যন্ত করতে রাজি হয়নি।

মাহমুদুর রহমানের অভিযোগের ভিত্তি হলো যে, ট্রাষ্ট ব্যাংকের অডিট রিপোর্টে বলা আছে ২০০২ সালে বৈদেশিক মুদ্রা বাণিজ্যে ব্যাংকটি ২০ কোটিরও বেশি টাকা লোকসান করেছে। পরের বছরও একই খাতে আরো ২ কোটিরও বেশি টাকা লোকসান দেখানো হয়েছে। ওই সময়ে সেনাপ্রধান হিসেবে লে. জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী ট্রাষ্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। হুদা ভাসি চৌধুরী এন্ড কোম্পানির করা অডিট রিপোর্টে দেখা গেছে যে, ২০০২ ও ২০০৩ এই দুটি বছরের আগে বা পরে ব্যাংকটি বৈদেশিক মুদ্রা বাণিজ্য করেনি। মাহমুদুর রহমানের অভিযোগ সম্পর্কে জানার জন্য গত রাতে দুদক চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বলা হয়, তিনি বাসা থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন না। ২০০২ সালে ট্রাষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে গত রাতে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই বছর আরো কয়েকটি বাংলাদেশী ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন বাণিজ্যে বিপুল লোকসান দিয়েছিল। বিস্তারিত »