ইউনিজয় English

'তথ্য গোপন' ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভুক্ত নিউজসমূহ

দুর্নীতির মামলায় শেখ হেলাল ও তাঁর স্ত্রী কারাগারে

palo_logo.gif
আদালত প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী রুপা চৌধুরীকে দুর্নীতির মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মোজ্জামেল হোসাইন দুজনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, গতকাল বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে শেখ হেলাল ও তাঁর স্ত্রী আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের কাছে শেখ হেলাল কারাগারে প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা ও চিকিৎসার সুবিধা চেয়ে আবেদন করেন। আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিস্তারিত »

দুর্নীতি মামলায় সস্ত্রীক কারাগারে শেখ হেলাল : হাসপাতালে স্থানান্তর

10-05-101.jpg
Jugantor_logo
যুগান্তর রিপোর্ট
দুর্নীতির দায়ে বিশেষ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল এবং তার স্ত্রী রূপা চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার আদালতে আ্তসমর্পণের পর কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য তাদের রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসার জন্য রাত সোয়া ৮টার দিকে তাদের গুলশানের সিকদার মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানিয়েছেন, শেখ হেলাল ও তার স্ত্রী দুপুরে অবৈধভাবে সম্পত্তি অর্জন ও সম্পত্তির তথ্য গোপনের একটি মামলায় বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোজাম্মেল হোসেনের আদালতে আ্তসমর্পণ করেন। এরপর বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিস্তারিত »

দুর্নীতির মামলায় শেখ হেলাল সস্ত্রীক কারাগারে

Ittefaq_logo
০ কোর্ট রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই ও সংসদ সদস্য শেখ হেলালকে দুর্নীতি মামলায় সস্ত্রীক কারাগারে পাঠিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। গতকাল রবিবার আত্মসমর্পণের পর তাদের সন্ধ্যা ছয়টায় কারাগারে পাঠানো হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত -৩ এর বিচারক মোজাম্মেল হোসেন এই আদেশ প্রদান করেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কারা-কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, এরপর চিকিৎসার জন্য রাত সোয়া ৮টার দিকে তাদের গুলশানের সিকদার মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। বিস্তারিত »

Sentenced in Absentia

10-05-10.jpg
dailystar_logo
Helal, wife sent to jail
Court Correspondent
A Dhaka court yesterday sent lawmaker Sheikh Helaluddin, also a cousin of Sheikh Hasina, and his wife Rupa Chowdhury to jail in a graft case in which the two were tried in absentia, found guilty and sentenced. বিস্তারিত »

শেখ হেলাল দম্পতি কারাগারে

top22.jpg
শাহজাহান আকন্দ শুভ ও রহমান জাহিদ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাত ভাই শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি এবং তার স্ত্রী রূপা চৌধুরীকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বিকেলে তারা ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. মোজাম্মেল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিস্তারিত »

তথ্য গোপন করে প্লট নেয়া মন্ত্রী-এমপির বরাদ্দ বাতিল

top21.jpg
প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

আসাদুজ্জামান সম্রাট: ঢাকায় জায়গা ও বাড়ি থাকার পরেও এ তথ্য গোপন করে যেসব মন্ত্রী-সংসদ সদস্য রাজউকের উত্তরা ও পূর্বাচল প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের প্লট বরাদ্দ বাতিল করা হবে। গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে গতকাল মঙ্গলবার সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে গৃহায়ন ও গণপুর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ফজলে করিম চৌধুরী। বিস্তারিত »

আত্মসমর্পণের পর আমিনুল হক কারাগারে

কোর্ট রিপোর্টার
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ব্যারিস্টার আমিনুল হক মঙ্গলবার বেলা ২টায় ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তানজিলা ইসমাইল তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই বিচারক গত বছরের ২০ মে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত করে ব্যারিস্টার আমিনুল হককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। মামলার বিচারকালে তিনি পলাতক ছিলেন।
মঙ্গলবার বেলা পৌনে ২টায় ব্যারিস্টার আমিনুল হক অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে পুরনো ঢাকার আদালত চত্বরে হাজির হন। পরে তিনি ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হকের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় আদালতে অভিযুক্তের পক্ষে কারাগারে তাকে প্রথম শ্রেণীর বন্দি হিসেবে মর্যাদা দেয়ার জন্য ডিভিশন চাওয়া হলে বিচারক তানজিলা ইসমাইল জেল কোড অনুযায়ী এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে ব্যারিস্টার আমিনুল হককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতে অভিযুক্তের পক্ষে আরও একটি আবেদন করে বলা হয়, তিনি অসুস্থ অবস্থায় বারডেম হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং সেখান থেকেই অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে আদালতে এসেছেন। তাই অ্যাম্বুলেন্সে করেই তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হোক। বিচারক এ বিষয়ে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এ বিষয়ে তার কোন আপত্তি নেই বলে তিনি জানান। পরে ব্যারিস্টার আমিনুল হককে অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার ঘটনায় জানা জানায়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৯ জুলাই ব্যারিস্টার আমিনুল হককে সম্পদের হিসাব দাখিল করার নোটিশ দিলে তিনি ২২ জুলাই হিসাব বিবরণী দাখিল করেন। দুদক তদন্ত করে জানতে পারে, অভিযুক্ত ৬৬ লাখ ৪৭ হাজার ২৩৬ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে অর্জন করেছেন এবং দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ১০৩ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এ অভিযোগে দুদক ২০০৭ সালের ৫ ডিসেম্বর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে।

তথ্যসূত্র: http://www.jugantor.info/enews/issue/2009/07/08/news0521.php

ওয়ারেন্ট ২৩ প্রার্থীর বিরুদ্ধে

হোসাইন জাকির
নির্ধারিত সময়ে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব না দেয়ায় ২৩ প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। ব্যয়ের হিসাব না দেয়ায় এতসংখ্যক প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করার ঘটনা দেশে এই প্রথম। এই প্রার্থীদের মধ্যে ১৯ জনই ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আসনের। ইতিমধ্যে এসব প্রার্থীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। নির্দিষ্ট সময়ে ব্যয়ের হিসাব না দেয়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর স্পষ্ট লংঘন। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধের জন্য সর্বনিু ২ থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। খবর দায়িত্বশীল সূত্রের। এদিকে সঠিক সময়ে ব্যয়ের হিসাব না দেয়া আরও ৩৫ প্রার্থী এ অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে রিটার্নিং অফিসারদের কাছে আবেদন করেছেন। এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে করণীয় জানতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছেন রিটার্নিং অফিসাররা। তাছাড়া যারা ব্যয়ের অসম্পূর্ণ হিসাব দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। গত ৩০ জুন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ড. খোন্দকার শওকত হোসেন বাদী হয়ে মহানগরীর ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন লংঘনের অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করেন। মামলায় গত নির্বাচনে রাজধানীর ১৫টি আসনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালনকারী এ বিভাগীয় কমিশনার বলেন, নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব প্রদান বাধ্যতামূলক। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ হয় ১ জানুয়ারি। তাই ৩১ জানুয়ারি ছিল ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার শেষ দিন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪-সি অনুযায়ী কোন প্রার্থী (বিজয়ী বা পরাজিত) যথাসময়ে ব্যয়ের হিসাব না দিলে অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী ওই প্রার্থী শাস্তিযোগ্য অপরাধের দায়ে দায়ী হবেন। এ অপরাধের জন্য জরিমানাসহ কমপক্ষে দু’বছর ও অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৭৪ বিধান অনুসারে বিভাগীয় কমিশনার এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৯ প্রার্থীকে। তারা হলেনÑ ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী আমির খান (ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন), শফিকুর রহমান (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), মতিউর রহমান (তরিকত ফেডারেশন), ঢাকা-৫ আসনের জমির আহমেদ (কল্যাণ পার্টি), ওয়ালী উল¬াহ পাটোয়ারী (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল), খালেকুজ্জামান চৌধুরী (প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল), সানোয়ার হোসেন (তরিকত ফেডারেশন), ঢাকা-৬ আসনের এম আহসান আতিক (তরিকত ফেডারেশন), শামসের আলী তালুকদার (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), ঢাকা-৭ আসনের মোঃ রহিম (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), ঢাকা-৮ আসনের শফিকুল ইসলাম (বিকল্প ধারা), ঢাকা-৯ আসনের হারুন অর রশীদ (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), ঢাকা-১১ আসনের গাজী আবদুল বাসেত (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), ঢাকা-১২ আসনের আবুল কালাম আজাদ (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি), সহিদুল ইসলাম খান (ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন), ঢাকা-১৭ আসনের ইমতিয়াজ মাহমুদ (ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন), সালেহ আহমেদ (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), ঢাকা-১৮ আসনের আবু আহম্মদ জাহিরুল আমিন খান (স্বতন্ত্র) এবং এএইচ মোস্তফা কামাল (তরিকত ফেডারেশন)।
তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার সাব-ইন্সপেক্টর আবদুল কুদ্দুস মিয়া এ মামলার কথা স্বীকার করে গতকাল যুগান্তরকে বলেন, ইতিমধ্যে এই ১৯ প্রার্থীর সংশি¬ষ্ট থানায় মামলার কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তের পর বর্তমানে এসব প্রার্থীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রাজধানীর এসব আসনের বাইরে কুড়িগ্রামের চারটি আসনের চার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। এ চারজন হলেনÑ কুড়িগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী লতিফুল কবির (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), কুড়িগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী ভূদেব চক্রবর্তী (বিকল্প ধারা), কুড়িগ্রাম-৩ আসনের হাবিবুল হক সরকার (স্বতন্ত্র) এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনের লুৎফুর রহমান (জাতীয় পার্টি জেপি)।
যথাসময়ে ব্যয়ের হিসাব জমা না দিয়ে এ অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে চিঠি দেয়া ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে পার্বত্য খাগড়াছড়ি আসনে প্রজ্ঞাবীর চাকমা (প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল), প্রদীপ কুমার মুৎসুদ্দী (জাকের পার্টি), নোয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী লুৎফুন্নাহার বেগম, নোয়াখালী-৪ আসনে কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী গোলাম আকবর, সুনামগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, বিএনপি প্রার্থী ডা. রফিক চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী শাহীনুর পাশা চৌধুরী (জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম- প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী), ইসহাক আমিনী (খেলাফত আন্দোলন), সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী কলিমউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ রয়েছেন।
উলে¬খ্য, গত এপ্রিলে ব্যয়ের হিসাব না দেয়া প্রার্থীদের তালিকা চেয়ে সারাদেশে রিটার্নিং অফিসারদের চিঠি দেয় কমিশন। এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য ২২ এপ্রিল রিটার্নিং অফিসারদের আবার চিঠি দেয় ইসি। গত মে’র মধ্যে অবশ্যই মামলা করার নির্দেশ দিয়ে দ্বিতীয় দফায় চিঠি পাঠায় ইসি। মামলার ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে রিটার্নিং অফিসারদের অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব নেন বলে এ সময় অভিযোগ ওঠে। এ অপরাধ সংঘটিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত মামলা করার বাধ্যবাধকতা আছে। উলে¬খ্য, গত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৩৮ প্রার্থীর মধ্যে ৫১২ প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে পার পেয়ে যান। তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

তথ্যসূত্র: http://www.jugantor.info/enews/issue/2009/07/07/news0392.php

দুদকের তথ্য গোপন

মিজান মালিক
রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেয়া বার্ষিক প্রতিবেদনে দুদকের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও লেনদেনের বিষয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুদক দু’বছরে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে কি পরিমাণ অর্থ নিয়েছে তার কোন হিসাব তাতে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু তাই নয়, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনের নামে অর্থ খরচ, আইনজীবীদের বেতন-ভাতা, সোর্সমানির অর্থ খরচ, দুদকের নতুন ভবন নির্মাণ, দাফতরিক সংস্কার কাজ, কেনাকাটা, টেন্ডারসহ অন্যান্য খাতে খরচেরও কোন হিসাব রাষ্ট্রপতিকে প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানানো হয়নি। দুদকের বার্ষিক প্রতিবেদনে তথ্য গোপনের বিষয়ে নতুন চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি রোববার যুগান্তরকে বলেন, আমি অতীতের কোন ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। আমি মনে করি, দুদকের কাজে স্বচ্ছতা থাকা দরকার। যাতে দেশের মানুষ দুদকের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করে। গোলাম রহমান জানান, তিনি নিজেও রাষ্ট্রপতিকে দেয়া বার্ষিক প্রতিবেদনটি পড়েছেন। তাতে দেখা যায়, সেখানে দুদকের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের তেমন বিবরণ নেই। দুদকের সাবেক কমিশনার প্রফেসর এম মনিরুজ্জামান মিঞা এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে বলেন, দুদক কি পরিমাণ বিদেশী সাহায্য নিয়েছে তা রাষ্ট্রপতিকে জানানো বাধ্যতামূলক। দুদক যদি এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে কিছু না জানিয়ে থাকে তাহলে বলতে হবে, মহাজালিয়াতি করা হয়েছে।
মনিরুজ্জামান মিঞা দুদক কর্মকর্তাদের প্রসঙ্গে বলেন, দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূলের আগে নিজেদের স্বচ্ছ করতে হবে। তারা ৫০ কোটি টাকা অনুদান এনেছে নাকি ১০০ কোটি টাকা এনেছে তা কেন রাষ্ট্রপতিকে জানানো হবে না? এছাড়া প্রাপ্ত অর্থের খরচ কোন খাতে হয়েছে তাও জানাতে হবে। তিনি আরও মনে করেন, দুদক যদি তাদের আর্থিক হিসাব রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে থাকে তাহলে রাষ্ট্রপতি ওই প্রতিবেদনটি জাতীয় সংসদে পাঠিয়ে এ বিষয়ে তদন্তের ব্যবস্থা করতে পারেন।
এ বিষয়ে টিআইবির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ বলেন, দুদকের সব কাজই ট্রান্সপারেন্ট হওয়া উচিত। যাতে কেউ সন্দেহ পোষণ করতে না পারে। তিনি বলেন, দুদক কর্মকর্তাদের সব ধরনের বিতর্ক, অনিয়ম এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকতে হবে।
২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৯(১) ধারা অনুযায়ী দুদক প্রতি বছর মার্চের মধ্যে পূর্ববর্তী বছরের যাবতীয় কার্যক্রমের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে প্রতিবেদন দেবে। এটা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু হওয়া স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গত সাড়ে চার বছরের মধ্যে মাত্র এক বছরের প্রতিবেদন দিয়েছে। তাও অসম্পূর্ণ। আর্থিক বিষয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে তাতে।
লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী ২০০৭ সালের ২৫ ফেব্র“য়ারি পুনর্গঠিত দুদকের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিকে বার্ষিক প্রতিবেদন দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেন বলে জানা যায়।
তিনি দুদক থেকে পদত্যাগের কয়েক মাস আগে তার কর্মকাণ্ডের এক বছরের (ফেব্র“য়ারি ২০০৭ থেকে মার্চ ২০০৮ পর্যন্ত) প্রতিবেদন তৈরি করে তা রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠিয়ে দেন। তাতে মোট ১৬টি অধ্যায় সন্নিবেশন করা হয়। জরুরি বিধিমালায় দুদকের মামলায় বিশেষ আদালতে দুদকের মামলার বিচার, সম্পদের নোটিশ প্রদান, দুর্নীতির অনুসন্ধান ও তদন্ত এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যক্রম গ্রহণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রতিবেদনে তথ্য দেয়া হয়। কিন্তু কি পরিমাণ বিদেশী সাহায্য কিভাবে পাওয়া গেছে, কিভাবে কোন খাতে কত খরচ হয়েছেÑ এর ছিটেফোঁটা বর্ণনাও নেই কোন অধ্যায়ে।
প্রতিবেদনের ১৫তম অধ্যায়ে ‘উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে সমর্থন’ শিরোনামে প্রকাশিত পর্বে কাদের কাছ থেকে সমর্থন পাওয়া গেছে কেবল সে বিষয়ে কয়েকটি লাইন সংযোগ করা হয়। তাতে বলা হয়Ñ ইউএনডিপি, অস্ট্রেলীয় হাইকমিশন, এডিবি, ড্যানিডা ও ডিএফআইডির কাছ থেকে সমর্থন পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপি সর্বদাই দুদকের ঘোরতর সমর্থক। দুদক কর্মসূচির কার্যকারিতার ওপর সমীক্ষা চালিয়ে তারা দুদককে সাহায্য করেছেন। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি তার সুশাসন প্রকল্পের অংশ হিসেবে দুদককে সহায়তা দিচ্ছে। ড্যানিডা এডিবির মাধ্যমে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টির কর্মসূচিকে সহায়তা দিয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে তারা মোবাইল সিনেমা ইউনিট ক্রয়েরও প্রস্তাব দিয়েছে। ডিএফআইডির অর্থ সহায়তায় দুদক সদর দফতরের আধুনিকায়ন করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরে স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক ওয়ার্ক স্টেশন।
প্রতিবেদনে অবশ্য ১৪টি কম্পিউটার প্রাপ্তির একটা ছোট অনুদানের তথ্য দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়, দুদক কার্যক্রমের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলীয় হাইকমিশন ১৪টি কম্পিউটার উপহার দিয়েছে।
এদিকে দুদককে কার্যকর ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি সরকারকে না জানিয়ে দুদকের বিদেশী সাহায্য গ্রহণের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে। কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে, দুদকের আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতা নেই। তারা সরকারকে পাশ কাটিয়ে বিদেশী সাহায্য নিয়েছে। ভবিষ্যতে দুদক এ প্রক্রিয়ায় কোন দাতা দেশ বা সংস্থার কাছ থেকে অর্থ নিতে হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তা জানাতে হবে।
দুদকের দু’বছরের কর্মকাণ্ড তদন্তের জন্য গঠিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর দুদকের বার্ষিক প্রতিবেদনের বিষয়ে যুগান্তরকে বলেন, তারা (দুদক) নিজেরাই এখন তথ্য গোপনের দায়ে অভিযুক্ত। তারা দু’বছরে দুদক কার্যক্রমকে নিজেদের পৈতৃক সম্পদ মনে করে ব্যবহার করেছেন। কারও কাছে জবাবদিহিতা না থাকায় দুদকের বড় কর্মকর্তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তাদের কাজের হিসাব নিয়ে টান দিলে সব দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে।
দুদকের পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারকে সংসদীয় কমিটির সামনে তলব করা হলে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য এবং সংসদে যেতে বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেন।
দুদক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে জবাবদিহির অংশ হিসেবেই তাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করতে হয়। অথচ সেখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। দুদক দু’বছরে গুরুতর অপরাধ দমন অভিযান সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি (এনসিসি) ও দুর্নীতির অনুসন্ধান তদন্তের জন্য গঠিত টাস্কফোর্সের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তেমন কোন তথ্য দেয়া হয়নি। কার নির্দেশে, কোথা থেকে কিভাবে সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের তালিকা হতো, হাসান মশহুদ চৌধুরী যোগদানের আগে কার নির্দেশে দেশের বিশিষ্ট ৫০ ব্যক্তিকে দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে তাদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়। এ বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। দুর্নীতির মামলা পরিচালনার জন্য কতজন আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তারা কারাÑ তাদের কোন তালিকা দেয়া হয়নি। তাদের কাকে কোন কারণে কত দিতে হয়েছে সে বিষয়েও প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
এদিকে রাষ্ট্রপতিকে দেয়া বার্ষিক প্রতিবেদনের একটি কপি সরকারি প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, তারা প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে তাতে কি কি তথ্য গোপন করা হয়েছে সে বিষয়ে একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছেন। কমিটি চলতি মাসেই দুদকের পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারকে দুদকের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জবাবদিহি করার জন্য তৃতীয় দফায় নোটিশ দিতে যাচ্ছে। কমিটির সভাপতি বলেন, তাদের আসতেই হবে। সংসদের সামনে হাজির না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, দুদকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আÍপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতেই তাদের বারবার হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দেয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: http://www.jugantor.info/enews/issue/2009/07/06/news0270.php

সাকার সদস্যপদ বাতিল হচ্ছে

16-06-09.jpg
Jugantor_logo
হোসাইন জাকির

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সাংসদ বহুল আলোচিত প্রভাবশালী বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সদস্যপদ বাতিলের জন্য আজ জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া হলফনামায় ‘শিক্ষাগত যোগ্যতার’ স্থলে মিথ্যা তথ্য দেয়ার অপরাধে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ হলফনামায় সাকা শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘নাই’ বলে জানালেও জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে সম্প্রতি পাঠানো তথ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকার প্রমাণ পেয়েছে ইসি। ইসির পাঠানো চিঠিতে বলা হচ্ছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হলফনামার মাধ্যমে ৮ দফা তথ্য দেয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ সাংসদ হলফ করেই ইসিতে মিথ্যা তথ্য জমা দিয়েছেন। বিস্তারিত »

পরবর্তী পৃষ্ঠা »