ইউনিজয় English

'দুর্নীতিবাজ' ক্যাটাগরীতে অন্তর্ভুক্ত নিউজসমূহ

দুদকের মামলায় খোকাসহ ১৩ জনের আগাম জামিন

Ittefaq_logo
০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় ঢাকা সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকাসহ ১৩ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়া তাদের কেন স্থায়ী জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে সরকার ও দুদকের প্রতি রুল জারি করেছে আদালত। আগাম জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করে বিচারপতি আফজাল হোসেন আহমেদ ও বিচারপতি মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ প্রদান করেন। জামিনপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তারা হলেন, যুগ্ম সচিব সাইফুদ্দিন আহমেদ ও আলমগীর হোসেন খান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: মেহেদী আলী খান, অবসরপ্রাপ্ত সাবেক প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো:নুরুন্নবী, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো: সাখাওয়াতউল্লাহ, গবেষণা কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান, উপ-রাজস্ব কর্মকর্তা মো: মজিবুর রহমান, বর্তমান কর কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো: সামি ফয়সাল, এ এস এম হাসানুজ্জামান, আতাহার আলী খান ও সাবেক কর কর্মকর্তা মো: সাইফুল্লাহ। বিস্তারিত »

খোকার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা

shomokal.jpg
সমকাল প্রতিবেদক
মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ৪৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা সিটি কর-পোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকাসহ ১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টায় দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশীদ বাদী হয়ে ঢাকার শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। বিস্তারিত »

মেয়র খোকার বিরুদ্ধে

Ittefaq_logo
দুদকের মামলা

০০০ইত্তেফাক রিপোর্ট

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে অর্ধশত কর্মচারি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শাহবাগ থানায় এ মামলায় দায়ের করে। মামলায় মেয়র খোকাসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিস্তারিত »

ACC sues Khoka

dailystar_logo
Staff Correspondent
The Anti-corruption Commission (ACC) last night filed a case against Dhaka City Corporation (DCC) Mayor Sadek Hossain Khoka with Shahbagh police on charges of irregularities in recruitment to the corporation.

Shahbagh police station officer-in-charge Rezaul Karim told The Daily Star that ACC assistant director Harun ur Rashid filed the case at around 8:20pm.
“The ACC official mentioned in the case statement that the mayor, also a vice-president of BNP, recruited a huge number of officials and employees through illegal ways from October 18, 2006 to November 20, 2006. Due to the illegal and fake recruitment, the DCC has to incur a huge financial loss with paying the recruited persons”, the OC said.

According to Shahbagh police, the case was filed under section 5/2 of the Anti Corruption Act 1947 and section 109 of the Penal Code.

Source: The Daily Star, 30 June 2010

হাসিনার মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র মামলা বাতিল

palo_logo.gif
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলাটি বাতিল ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারপতি মো. শামসুল হুদা ও বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। এ নিয়ে উচ্চ আদালতের রায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা পৃথক সাতটি মামলা অবৈধ ও বাতিল হলো। বিস্তারিত »

জমির, আখতার ও দেলোয়ারের দুর্নীতির রিপোর্ট পেশ

shomokal.jpg
সমকাল প্রতিবেদক
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, সাবেক ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট আখতার হামিদ সিদ্দিকী এবং সাবেক চিফ হুইপ ও বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত টিম এরই মধ্যে এ প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পেশ করেছে। তদন্তে তাদের দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সূত্র জানায়, অনুসন্ধান প্রতিবেদনটি যাচাই করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিগগির দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিশনে পেশ করা হবে। পরে কমিশন প্রতিবেদনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি দেবে। বিস্তারিত »

শেখ হাসিনার নাইকো মামলা আপিল বিভাগেও স্থগিত

top22.jpg
হিরা তালুকদার: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এমএম রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ গতকাল এ নির্দেশ দেন। এ মামলায় হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের আপিল খারিজ করে দেয় আপিল বিভাগ। সরকারের গঠন করা পর্যালোচনা কমিটি এরইমধ্যে মামলাটি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা হিসেবে উলেস্নখ করে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়ায় গতকাল আপিল বিভাগ এ চূড়ান্ত স্থগিতাদেশ দেয়।

সম্পাদনা: আলমগীর নিষাদ
তথ্যসূত্র: আমাদের সময়, ১৯ অক্টোবর ২০০৯

এরশাদ ও তারেকের দুটিসহ ২৯৭টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ

14-10-09.jpg
Jugantor_logo
যুগান্তর রিপোর্ট
রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে সরকার গঠিত কমিটি এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের চাঁদাবাজির একটি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দুর্নীতির একটি মামলাসহ আরও ২৯৭টি মামলা প্রত্যাহারে সুপারিশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গেছে, এরশাদের যে মামলাটি প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে সেটি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই দায়ের করা হয়েছিল। রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারবিষয়ক কমিটির সভাপতি আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক কোন মামলা থাকলে এবং তা প্রত্যাহারের আবেদন পাওয়া গেলে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গুলশান থানায় দায়েরকৃত চাঁদাবাজির এই মামলায় তারেক রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সৈয়দ আবু শাহেদ সোহেলের দায়ের করা মামলাটির প্রধান আসামি তারেক রহমানের বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন। তাকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে না। বিস্তারিত »

জোট আমলে এমপিওভুক্তি কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি


সাবি্বর নেওয়াজ : চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি নিয়ে কোটি টাকার দুর্নীতি ধরা পড়েছেবেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা এমপিওভুক্তিকরণের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে ব্যর্থ হওয়া অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও নিয়ম ভেঙে এমপিওভুক্ত করা হয়েছেএতে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয়ের ঘটনা ঘটেছেজনসংখ্যা ও প্রাপ্যতাকে বিবেচনায় না এনে ওই সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপিরা নিজ নামে, পিতা-মাতা, স্ত্রী এমনকি শিশুকন্যার নামেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তা এমপিওভুক্ত করেছেন
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে গঠন করা এমপিওভুক্তির নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির প্রথম সভায় এসব অনিয়ম ধরা পড়েছে ১৯৯৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত এমপিওভুক্তির সর্বশেষ নীতিমালা পর্যালোচনা করে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেনতারা জানান, কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) থেকে বিভাগওয়ারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা দেওয়া হয়এতে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে তাতে ১৯৯৭ সালের জারিকৃত নীতিমালাটি মানা হয়নিএছাড়া সব শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও ঢাকা বিভাগেই এক হাজার ৩২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
এমপিওভুক্ত হতে পারেনিঅন্যদিকে রাজশাহী বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেশি এমপিও পেয়েছেএমপিও প্রাপ্তির দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে সিলেট বিভাগএই অনিয়মের কারণে এমপিও বাবদ বরাদ্দকৃত টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার ফলে এক বিভাগে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও পেলেও অন্য বিভাগে কম পেয়েছেব্যানবেইসের তথ্য মতে, রাজশাহী বিভাগে বর্তমানে এত বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও পেয়েছে যে, এখানে আপাতত আর কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রয়োজন নেই
সূত্র জানায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, কালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার পুত্র তারেক রহমানের নামেও বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে নীতিমালা ভেঙে এমপিও দেওয়া হয়ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সে সময়ের প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় জোটের ৫ বছরে প্রায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজ ও আত্মীয়-স্বজনের নামে নামকরণ করেছেনসরকারের মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর জোট সরকার সাড়ে সাত হাজার আবেদনকে ফেলে দিয়ে মাত্র আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গোপনে এমপিওভুক্ত করে
জানা গেছে, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে প্রধানত রাজনৈতিক বিবেচনায়স্থানীয় সংসদ সদস্য কিংবা প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ইচ্ছা অনুযায়ীই খোলা হয়েছে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানপ্রভাব খাটিয়ে অনেকেই নিজের নামে অথবা পিতা-মাতার নামে হাইস্কুুল অথবা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেনএ ক্ষেত্রে স্থান নির্বাচনের বেলায় বাস্তব প্রয়োজনীয়তার চেয়ে ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছাই প্রাধান্য পেয়েছেফলে বিগত এক দশকে এমন বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিক কম
এ বিষয়ে কমিটির সদস্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (কলেজ) মাইন উদ্দিন খন্দকার বলেন, যেসব এলাকায় অতীতে নীতিমালা না মেনেই এমপিওভুক্তি বেশি হয়েছে এসব এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবার এমপিওভুক্তিতে কঠোর শর্ত দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছেএসব শর্ত না মানলে তাদের এমপিওভুক্ত করা হবে না কমিটির সদস্য সচিব ও ব্যানবেইসের পরিচালক আহসান আবদুল্লাহ বলেন, নতুন নীতিমালায় যেসব এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কম আছে এ বছর সেসব এলাকাই বিশেষ বিবেচনায় আসবে
কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আউয়াল সিদ্দিকী বলেন, প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের জন্য বর্তমানে যে নীতিমালা রয়েছে তা যুগোপযোগী নয়কমিটি বর্তমান আলোকে একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য দুই মাস সময় চাইছে
ব্যানবেইস প্রতিবেদন মতে, দেশে বর্তমানে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ৫ হাজার ৫৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছেবেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি১৫ কোটি জনসংখ্যার জন্য বিদ্যমান নীতিমালা অনুসারে (প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার জন্য ১টি স্কুল) দেশে ১৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা হয়বর্তমানে স্কুলের সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৩৭টিরয়েছে অতিরিক্ত জনবলএ লক্ষ্যে চিহ্নিত অতিরিক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আশপাশের সমজাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করে অতিরিক্ত জনবল দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে সমন্বয়ের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়চারদলীয় জোট সরকারের সময় দাখিল করা ওই প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি
ব্যানবেইস পরিচালক আহসান আবদুল্লাহ বলেন, ২০০৬ সালের ওই প্রতিবেদন এবং ২০০৮ সালের তথ্য বিবেচনা করে এমপিওভুক্তি দেওয়া হবেএছাড়া নতুন নীতিমালার আলোকে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে
বিপুল সংখ্যক অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : রাজশাহীর ১টি উপজেলায় ২১টি কলেজ রয়েছেযশোরের ১টি ইউনিয়নে ২টি গার্লস কলেজ রয়েছেঅথচ বান্দরবান জেলার চারটি উপজেলায় ৮টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন থাকলেও সেগুলো স্থাপনের কোনো উদ্যোগ নেইঅপ্রয়োজনীয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে বান্দরবানে ৩টি স্কুল, চট্টগ্রামে ২০টি স্কুল, ৯টি মাদ্রাসা ও ১৩টি কলেজ, কক্সবাজারে ১৩টি স্কুল ও ২টি মাদ্রাসা, রাঙ্গামাটিতে ৫টি স্কুল ও ১টি কলেজ, খাগড়াছড়িতে ৫টি স্কুল, বি.বাড়িয়ায় ১২টি স্কুল, ৩টি মাদ্রাসা ও ৭টি কলেজ, চাঁদপুরে ১১টি স্কুল, ৪৬টি মাদ্রাসা, ৯টি কলেজসহ ৬৬টি অতিরিক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছেএকইভাবে কুমিলায় বিভিন্ন ধরনের ১৮৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফেনীতে ৩৯, লক্ষ্মীপুরে ১২৮, নোয়াখালীতে ১৩, ঢাকায় ২২, গাজীপুরে ১২৯, মানিকগঞ্জে ১১, মুন্সীগঞ্জে ৯, নরসিংদীতে ৪৩, ফরিদপুরে ১৩, রাজবাড়ীতে ৩০, মাদারীপুরে ৩৪, গোপালগঞ্জে ২৫, জামালপুরে ৫০, শেরপুরে ১৫, কিশোরগঞ্জে ৪২, ময়মনসিংহে ২০৩, টাঙ্গাইলে ২৭৩, নেত্রকোনায় ২০, খুলনায় ১১৯, সাতক্ষীরায় ১০১, বাগেরহাটে ১৭৩, কুষ্টিয়ায় ৭, মেহেরপুরে ২, যশোরে ৩২৯, নড়াইলে ৩৬, ঝিনাইদহে ৪২, মাগুরায় ৬৩, বরিশালে ১৩৪, পটুয়াখালীতে ২৮৯, বরগুনায় ১৩৮, পিরোজপুরে ২৫৫, ঝালকাঠিতে ১৯৪, ভোলায় ৯৯, পঞ্চগড়ে ১১৭, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৮৪, দিনাজপুরে ৩৬৬, নীলফামারীতে ৮৪, রংপুরে ২১৯, গাইবান্ধায় ১৭৮, লালমনিরহাটে ৩৮, কুড়িগ্রামে ১৬৪, বগুড়ায় ১৫৩, জয়পুরহাটে ৮০, নওগাঁয় ১৯২, রাজশাহীতে ৩০১, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০৮, নাটোরে ১১৭, সিরাজগঞ্জে ১০১, পাবনায় ৫০ এবং সিলেটে ১৭টি অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে
ওই হিসাব অনুযায়ী দেশে সর্বোচ্চ ৩৬৬টি অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে দিনাজপুরেসংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যশোর জেলাএ জেলায় অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩২৯টি

 

তথ্যসূত্র: http://samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=3596&pub_no=43

হুদা-সাকারা রুই কাতলা হলে তিনি এখন কী?


মনিজা হাবীব:


২০০৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি নাজমুল হুদা, সাকা চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, সালমান এফ রহমানসহ ১৪ শীর্ষ রাজনীতিক আটকের পর গুরুতর অপরাধ দমন সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মে.জে. (অব.) এমএ মতিন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, আমরা রুই-কাতলার ব্যবসা করতে চাইচুনোপুটির নয়গত সোমবার দেশের প্রায় সব দৈনিকে মতিন এবং তার পরিবারের ১১ সদস্যের বিরুদ্ধে ২৭৫ একর সরকারি জমি ইজারাসহ দুর্নীতির নানা অভিযোগ উদঘাটনের খবর ছাপা হয়

২০০৭ সালের ৮ মার্চ বিএনপির যুগ্মমহাসচিব তারেক রহমানকে আটকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন কাউকেই ছাড়া হবে নাএকই বছরের ২৯ মার্চ তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, রুই-কাতলাদের একবারে জামিন পাওয়ার সুযোগ নেইএকেকজনের বিরুদ্ধে ৬/৭টি মামলা রয়েছেমামলার সাক্ষী পাওয়া না গেলেও সমস্যা হবে না মামলাগুলো বেইজড অন রেকর্ড রয়েছে১৯ এপ্রিল বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ তাক্ষণিকভাবে প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ১ জুলাই তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নিজে থেকে সরে গিয়ে ভালো করেছেন

তবে ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর মিডিয়াবিমুখ হয়ে যান তিনিজাতীয় নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ৩০ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে জনগণ। (বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক থেকে সংকলিত)

 

তথ্যসূত্র: http://www.amadershomoy.com/content/2009/07/15/news0911.htm

পরবর্তী পৃষ্ঠা »